পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের মনোনীত পরিচালক রণজিত চক্রবর্তী তার কাছে থাকা ২৯ হাজার ৬৩৪টি শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন। বিদ্যমান বাজারদরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাবলিক মার্কেটের মাধ্যমে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এসব শেয়ার বিক্রি করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে শুধু সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জেএমআই হসপিটালের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৫১ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে জেএমআই হসপিটালের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ১৪ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জেএমআই হসপিটালের পর্ষদ।

আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৯৫ পয়সায়।

জেএমআই হসপিটালের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি।

২০২২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেএমআই হসপিটালের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১২৫ কোটি ২৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৯৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ৫২ লাখ ৯৪ হাজার ১২০। এর ৩২ দশমিক ৩০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪২ দশমিক ৭২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।