নারায়ণগঞ্জের বৃহৎ পাইকারি বাজার নিতাইগঞ্জে সব ধরনের ডালের দাম নিম্নমুখী। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অক্টোবরে ডালের নতুন মৌসুম শুরু হবে। তাই এখন মিলের গুদামে যে ডাল মজুদ আছে তা বেচাকেনা হচ্ছে। তাই দাম কমতির দিকে। অক্টোবরে নতুন ডাল আমদানি হলে বাজার পরিস্থিতি বোঝা যাবে।
এক মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ডালের দাম কমেছে ৮-১০ টাকা। কিন্তু পাইকারি বাজারে কমলেও খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব নেই। বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশী মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ১১৫ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগেও ছিল ১২০ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা। আর খুচরা বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা।
দিল্লি সুপার ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগেও ছিল ১২৯ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৯ টাকা। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা। মোটা মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা কেজি দরে, যা ১৫ দিন আগে ছিল ৯৯ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ১৩ টাকা।
অ্যাংকর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা ২০ দিন আগেও ছিল ৬৫ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা।
ডাবলি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা গত মাসেও ছিল ৬৩ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৩ টাকা।
ছোলা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ৬৫ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা।
খেসারির ডাল বাজারে ৬৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা দুই সপ্তাহ আগেও ছিল ৭২ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা।
মুগ ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৯৬ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগেও ছিল ১০২ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৬ টাকা। আর খুচরা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১২০ টাকা।
বাসন্তি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী বিপ্লব সাহা জানান, এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের ডালের দাম কমেছে ৫-১১ টাকা পর্যন্ত। দাম কমায় বেচাকেনায় কিছুটা মন্দা চলেছে।
কুমিল্লা ট্রেডিংয়ের বিকাশ সাহা জানান, বছরের এ সময় ডালের বাজারে বেচাকেনায় মন্দা দেখা দেয়। অক্টোবরে ডালের নতুন মৌসুম শুরু হবে। তাই এখন মিলের গুদামে যে ডাল মজুদ আছে, তা বেচাকেনা হচ্ছে। তাই দাম কমতির দিকে। অক্টোবরে নতুন ডাল আমদানি হলে বাজার পরিস্থিতি বোঝা যাবে।










