পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই বড় মূলধনি কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি (বিএটিবিসি) লিমিটেড ও গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ারদর সংশোধনে গতকাল ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ২৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ফ্লোর প্রাইস (শেয়ারদরের সর্বনিম্ন সীমা) প্রত্যাহারের পর গতকাল বিএটিবিসির শেয়ারদর কমেছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৪৭৯ টাকা ৮০ পয়সায়, আগের দিন যা ছিল ৫১৮ টাকা ৭০ পয়সা। অন্যদিকে গতকাল গ্রামীণফোনের ১ দশমিক ৭ শতাংশ দর কমে দাঁড়িয়েছে ২৫৭ টাকা ২০ পয়সায়, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২৬১ টাকা ৬০ পয়সা।
গতকাল দিন শেষে ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬ হাজার ২১৫ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইর নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ গতকাল ৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ২ হাজার ১১৪ পয়েন্টে।
গতকাল সূচকের পতনে বিএটিবিসি ও গ্রামীণফোনের পর সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল বেক্সিমকো ফার্মা, বীকন ফার্মা, রেনাটা, ফারইস্ট লাইফ ও ওরিয়ন ফার্মার শেয়ারের। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন হওয়া ৩৯৬টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ২১৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৬৭টি সিকিউরিটিজের বাজারদর।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে কমেছে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ। এদিন এক্সচেঞ্জটিতে ৭৯০ কোটি টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৯৮০ কোটি টাকা। খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ দখলে ছিল বস্ত্র খাতের। ১৩ দশমিক ১ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। গতকাল ডিএসইতে প্রযুক্তি, ভ্রমণ ও ব্যাংক খাতের শেয়ারে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। অন্যদিকে নেতিবাচক রিটার্নের দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল খাদ্য, জীবন বীমা ও বস্ত্র খাত।










