সরকার চাল রফতানিতে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি প্রদানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্তটি সঠিক হচ্ছে কিনা, গভীরভাবে ভেবে দেখা দরকার। সাম্প্রতিক দুই বছর ধরে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে উদ্বৃত্ত অবস্থানে পৌঁছে যাওয়ায় সরকার চাল রফতানিকে উত্সাহিত করার জন্য ১৫ শতাংশ ভর্তুকি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু চাল রফতানির রাজনৈতিক অর্থনীতি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাবে এ সিদ্ধান্তের সুফল দেশের সাধারণ কৃষকদের কাছে যাবে না। বৃহৎ চালকল মালিক, মজুদদার ও অতি বড় ভূস্বামীদের একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী রফতানি ও ভর্তুকির সুফল লুটে নেবে অথচ দেশের ৮০ শতাংশ চাল কিনে খাওয়া সাধারণ ভোক্তা এর ফলে বাজারে চালের মূল্যবৃদ্ধির অসহায় শিকারে পরিণত হবে। আর চালের বাজারে আগুন লাগলে সব বাজারে মূল্যস্ফীতির আগুন ছড়িয়ে পড়তে মোটেও বিলম্ব হবে না। নিচের যুক্তিগুলো মনোযোগ দিয়ে অনুধাবন করলে ব্যাপারটা পরিষ্কারভাবে বোঝা যাবে।
১. ২০১৯ সালে বোরো ধানের বাম্পার ফলন বাংলাদেশের কৃষকদের পাশাপাশি সরকারকেও একটা নতুন ধরনের বিপদে ফেলেছিল। বাম্পার ফলন হলে বাংলাদেশের মাঝারি, ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিবারই ধানের দামে কমবেশি ধসের শিকার হন। ২০১৯ সালে এ সমস্যা অনেক বেশি গুরুতর আকার ধারণ করেছিল, ধান-চালের বাজারে চালকল মালিক ও মজুদদারদের সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ধানের দামকে ৫০০ টাকারও নিচে নামিয়ে আনার প্রয়াসে সফল হওয়ার কারণে। উল্লিখিত এ সিন্ডিকেট চাতাল মালিক, বেপারি ও ফড়িয়াদের মাধ্যমে সস্তায় ধান কিনে নেয়। পরবর্তী সময়ে যখন সরকার বাফার স্টকের জন্য চাল কেনে, তখন অনেক বেশি দামে চাল বিক্রয় করে তারা বিপুল মুনাফা তুলে নিতে সমর্থ হয়। সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাপক দুর্নীতি এ ব্যবস্থাটাকে কায়েমি স্বার্থে পরিণত করেছে অনেকদিন ধরে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বহু বছর ধরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার ব্যবস্থা চালু থাকলেও এ দেশের সরকারগুলো সে পদ্ধতি সম্পর্কে খবরাখবর না নিয়ে নিজেদের দুর্নীতি চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে একটা অভিযোগই বারবার করে যাচ্ছে যে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনলে ধান ভেজা থাকে বিধায় ওই ধান গোডাউনে তাড়াতাড়ি পচে যায়। এ সমস্যার সমাধান পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা কীভাবে করেছে, তা সরেজমিনে দেখে এসে খাদ্যমন্ত্রী কি ধান সংগ্রহ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে পারেন না? আসল কথা হলো, বাংলাদেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে খাদ্য ঘাটতির দেশ হিসেবে বিদেশ থেকে প্রাপ্ত খাদ্য সাহায্য ব্যবস্থাপনাকে সামনে রেখে। ধান-চাল উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বর্তমান উত্তরণে উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আমাদের খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এখনো হয়তো রপ্ত করতে পারেননি কিংবা দুর্নীতির স্বার্থে চালু করতে চাইছেন না! এখন থেকে আগামী কয়েক বছর যেহেতু অসময়ে অতিবৃষ্টি বা বন্যা না হলে দেশে ধান উদ্বৃত্ত হবে, তাই উদ্বৃত্ত ধান সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কিনে ধানের ন্যায্য দাম যাতে মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের দেয়া যায়, তার ভালো ব্যবস্থা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে গড়ে তুলতেই হবে (অবশ্য ২০১৭ সালের আগাম বন্যায় বোরো ধান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওই বছর আবার খাদ্য ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছিল)।
২. দেশের চালের বাজারে বড় বেশ কয়েকটি অটোমেটিক রাইস মিলের মালিকদের একটা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। ২০১৮ সালে তারা যোগসাজশকারী অলিগোপলি সৃষ্টি করে চালের বাজারদরকে কয়েক মাস ধরে কৃত্রিমভাবে বেশ খানিকটা বাড়াতে সমর্থ হয়েছিল। ওই সময় চালের কোনো উৎপাদন ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে চাল আমদানি অনেক কম হওয়ায় মুনাফাবাজির উদ্দেশ্যে বাজারে তাদের এক ধরনের কার্টেল পাওয়ার খাটাতে সমর্থ হয়েছিল তারা। এ মালিকদের নেতৃস্থানীয় কয়েকজন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ওই পর্যায়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অপপ্রয়াসও থাকতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহলে এবং মিডিয়ায় আলোচনার সূত্রপাত হয়েছিল। বড় চালকল মালিকদের ওই সিন্ডিকেট কিন্তু এখনো বহাল তবিয়তে রয়ে গেছে। এর সঙ্গে দেশের চালের বাজারের বড় মোকামগুলোর বৃহৎ আড়তদারদের যোগসূত্রকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে। মুনাফাবাজির সুযোগ সৃষ্টি হলে সংঘবদ্ধ মজুদদারির মাধ্যমে পাইকারি ও খুচরা চালের বাজারে আগুন লাগাতে এরা মোটেই দেরি করবে না (গত কয়েক সপ্তাহে চালের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর প্রয়াস আবারো জোরদার হয়েছে)।
৩. কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ লাখ টন চাল রফতানির ব্যাপারে সরকার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন। খবরটায় খুশি হওয়ার কথা হলেও একটা অজানা আশঙ্কায় মনটা ভরে উঠেছে। খুশি এজন্য যে আমাদের দেশের কৃষকরা খাদ্যশস্য উৎপাদনে চলমান বিপ্লবের মাধ্যমে এমন একটা অবস্থায় আমাদের নিয়ে এসেছেন যে এখন আমরা উদ্বৃত্ত চাল রফতানির সক্ষমতা অর্জন করেছি। আশঙ্কা এজন্য যে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত ধান কিন্তু বোরো, যা থেকে পাওয়া যায় মোটা চাল। এ চালের রফতানি বাজার পাওয়া যাবে না। মাঝারি মানের চিকন চাল ও সুগন্ধি চিকন চালের রফতানি বাজার আছে। সুগন্ধি চিনিগুঁড়া ও কালোজিরা চাল এখনো বিদেশে রফতানি হয়। কিন্তু মাঝারি মানের চাল ভবিষ্যতে ১০-১৫ লাখ টন রফতানির উদ্যোগ নিলে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জোগানের সংকট সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩ কোটি ৬২ লাখ টন চাল উৎপাদন হলেও বাজারে আসে সোয়া কোটি টন থেকে দেড় কোটি টন। ১০-১৫ লাখ টন চাল দেশের চালের বাজারের একটি উল্লেখযোগ্য শতাংশ হওয়ায় কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের হাতে এই পরিমাণ জোগানের ঘাটতি বড়সড় অস্ত্র তুলে দেবে কিনা, ভেবে দেখা প্রয়োজন। ১০-১৫ লাখ টন চাল রফতানি করে বাংলাদেশ খুব বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে না। কিন্তু কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে পারলে অভ্যন্তরীণ চালের বাজারে আগুন লেগে গেলে অন্যান্য পণ্যের দামেও ওই আগুন ছড়াতে দেরি হবে না। অতএব, সিদ্ধান্তটি নিতে হবে মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের ন্যায্য দাম পাওয়াকে অগ্রাধিকার দিয়ে। রফতানি না করেও যদি সরকার ন্যায্য দামে বাজার থেকে বেশকিছু পরিমাণ বোরো ধান সংগ্রহ করে সরকারের বাফার স্টক জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ওই ধানের চাল শহরের গার্মেন্ট শ্রমিক ও গ্রামের প্রান্তিক অবস্থানের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে ভর্তুকি দামে বিক্রয় করে সরকার রাজনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হবে বলেই আমার বিশ্বাস। এই বিকল্প ব্যবস্থার সুফল হলো, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির কোনো সুযোগ পাবে না কোনো সিন্ডিকেট বা মজুদদারগোষ্ঠী।
৪. এ প্রস্তাবের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য হলো, ভারতের কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গসহ অনেক রাজ্যে সফলভাবে খাদ্যশস্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বাংলাদেশে মুক্ত বাজার অর্থনীতির ডামাডোলে শরিক হয়ে বিশ শতকের আশির দশক ও নব্বইয়ের দশকে আমরা রেশনিং ব্যবস্থাকে প্রায় গুটিয়ে ফেলেছি। এর পরিবর্তে ভিজিডি ও ভিজিএফের মতো যে কয়েকটি সেফটি নেট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর প্রকৃত সুফলভোগী ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান-মেম্বার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও পাইপলাইনের আমলা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রেশন ব্যবস্থাও চরম দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। তবুও বলব, সমাজের বিত্তহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত জনগোষ্ঠীর খাদ্যনিরাপত্তার জন্য বাজার ব্যবস্থার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা বিপদ ডেকে আনতে পারে। বাজার ব্যবস্থার পাশাপাশি শহরে ও গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ভর্তুকি দামে খাদ্যশস্য পৌঁছানোর একটা ‘কার্যকর সিস্টেম’ সরকারের রুটিন দায়িত্বের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা এখনো অগ্রাধিকারের দাবি রাখে বলে আমি মনে করি। মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রতি অতি নিমজ্জিত হয়ে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান ২০০১-০৬ মেয়াদের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় যেভাবে দেশের খাদ্য মজুদকে বিপজ্জনক পর্যায়ে নামিয়ে ফেলেছিলেন, যা আরেকটু হলে বাংলাদেশকে ২০০৭ সালে আবার দুর্ভিক্ষাবস্থার সম্মুখীন করে ফেলেছিল, সেটা যেন আমরা বিস্মৃত না হই। ২০০৬-০৮ সালে সরকারের খাদ্যশস্যের বাফার স্টকের মারাত্মক ক্ষীণকায় অবস্থা ২০০৭ সালের শেষ দিকে চালের বাজারে যে কৃত্রিম সংকট ও বিপজ্জনক ‘প্যানিক বায়িং’ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল, এর পুনরাবৃত্তি যেন আর না হয়। ভবিষ্যতে এ রকম অজুহাত পেলে সরকার ও জনগণকে বিপদে ফেলবেন মজুদদাররা। আমরা ১৯৭৪ সালের কথা যেন বিস্মৃত না হই। চালের দাম আড়াই টাকা কেজি থেকে একলাফে দুই মাসের মধ্যে ১০ টাকায় বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এ দেশের মজুদদাররা। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পেছনে চালের এই অতিদ্রুত আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতিকেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্যের ওপর ক্রয়ক্ষমতা (এনটাইটেলমেন্ট) হারানোর মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছেন, ১৯৭৩ সালের তুলনায় ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে ধান উৎপাদন প্রকৃতপক্ষে বেড়ে গিয়েছিল। তাই উৎপাদন ঘাটতির জন্য দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, সেটা পুরোপুরি ঠিক নয়। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, রফতানির ভালো বিকল্প হবে একটি দরিদ্রবান্ধব রেশনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সারা বছরের খাদ্যশস্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৫. আরেকটি বিষয়ও বিবেচনার দাবি রাখে। রফতানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে আগামী বছরগুলোয় মোটা ধান উৎপাদনের কিছু জমি ক্রমান্বয়ে মাঝারি মানের চিকন ধান উৎপাদনে নিয়োজিত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাবে। ফলে যদি দেশের মোটা ধান উৎপাদন কমতে শুরু করে, তাহলে ধান উৎপাদনে আমরা যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি, সেটাকে ধরে রাখা যাবে না। অতএব, উদ্বৃত্ত ধান উৎপাদন এখনো খুব টেকসই অবস্থায় এসে গেছে সেটা বলা যাচ্ছে না। মাঝারি মানের ধানের একরপ্রতি উৎপাদনশীলতা তেমন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি, সুগন্ধি চালের ধান উৎপাদনেও একরপ্রতি উৎপাদনশীলতা অনেক কম। অতএব, মোটা ধান উৎপাদন থেকে জমি মাঝারি বা সুগন্ধি চিকন চালের ধান উৎপাদনে সরিয়ে নিলে ভবিষ্যতে দেশে আবার খাদ্যশস্য উৎপাদনে ঘাটতি সৃষ্টি হওয়ার বিপদকে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
৬. চাল রফতানিতে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি সরাসরি রফতানিকারক চালকল মালিক ও মজুদদারদের পকেটে গেলেও এর সুফল সাধারণ কৃষকদের কাছে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সাধারণ কৃষকরা এখন যেভাবে চাতাল মালিক, বেপারি ও ফড়িয়াদের কাছে ধান কাটার পরপরই উদ্বৃত্ত ধান বিক্রয় করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন, ভবিষ্যতেও তার কোনো ব্যত্যয় ঘটার সম্ভাবনা দেখছি না। অতএব, ধান কাটার পর সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার ব্যবস্থা গড়ে না তুললে ফসলের মৌসুমে ধানের দামে ধস নামার সমস্যার কোনো সমাধান মিলবে না। রফতানিকারকদের ১৫ শতাংশ ভর্তুকি আসলে ‘তেলা মাথায় তেল দেয়া’ ছাড়া কিছুই হবে না। সেজন্যই বলছি, কৃষককে ন্যায্য দাম দেয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়াস চালানোই সরকারের সমীচীন হবে।
ড. মইনুল ইসলাম: একুশে পদকপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়










