প্রবৃদ্ধি কত হলো, আগামীতে কত হবে, এসব বিতর্কের চাইতে মানুষের জীবন রক্ষাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। পাশাপাশি অর্থনীতির চলমান সংকট থেকে উত্তরণে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিতে হবে।  টিকে থাকাই আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয় করে পদক্ষেপ নিতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়  বাজেটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ অর্জনের নিমিত্তে বেসরকারী বিনিয়োগে প্রাণ ফেরানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখাসহ আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসনে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, পন্থা, অর্থের সুষম বণ্টন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কর্মসূচি ও কৌশল এমনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে যাতে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ইতিবাচক সুফল বয়ে আনতে পারে।

সরকারের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্যে নিম্নে প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রংপুর চেম্বারের মতামত উল্লেখ করা হলো:

প্রস্তাবিত বাজেটে  অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া রংপুর অঞ্চলের দারিদ্র্য নিরসন ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রংপুর বিভাগের জন্য পোশাক ও কৃষিভিত্তিক শিল্প জোন গড়ে তোলার পাশাপাশি উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণে রংপুর বিভাগের আট জেলার উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ রাখার পাশাপাশি এ বিভাগের শিল্পায়নে আলাদা ঋণ, কর ও ভ্যাট নীতি প্রণয়ন, রংপুরে প্রস্তাবিত স্পেশাল ইকোনমিক জোন ও আইটি পার্ক স্থাপন, উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে ‘নর্থ বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রি’ গঠনের মত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত ছিল বলে রংপুর চেম্বার মনে করে। 

তাই পিছিয়ে রংপুর অঞ্চলের দারিদ্র্য নিরসন ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে রংপুর চেম্বারের প্রস্তাবগুলো সংশোধিত বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে বড় শিল্পের মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ওপর  ১৫ শতাংশ মূসক আরোপ করা হয়েছে। করোনা মহামারীতে এরই মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতে অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রায় ২৮ শতাংশের আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে। কারণ ক্ষুদ্র ব্যবসা একবার বন্ধ হয়ে গেলে পুনরায় তা চালু করা খুবই কঠিন। এরূপ পরিস্থিতিতে যদি বড় শিল্পের মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ওপর একই হারে ভ্যাট আরোপিত হয় তাহলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প একেবারে হুমকির মুখে পড়বে। তাই সংশোধিত বাজেটে অর্থনীতির চালিকা শক্তি হিসেবে খ্যাত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রক্ষার্থে ন্যূনতম মূসক আরোপের আহ্বান জানাচ্ছি। এর ফলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মোট দেশজ উৎপাদনে আরও অনেক বেশি অবদান রাখতে পারবে বলে আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি মেটাতে সরকার ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার যে প্রস্তাব করা হয়েছে তাতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হবে। ঘাটতি পূরণে ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বৈদেশিক উৎস, অবকাঠামো তহবিল, অবকাঠামো বন্ড ও অন্যান্য আর্থিক উপাদানের ওপর জোর দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। কেননা বেসরকারি খাত বাধাগ্রস্ত হলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করা হচ্ছে। এ তহবিল থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি চাষিদের কৃষি, মৎস্য, ডেইরি এবং পোল্ট্রি খাতে ৪ শতাংশ সুদহারে ঋণ প্রদান করা হবে। এছাড়া কৃষি ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। 

কিন্তু বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, সরকারের কৃষি ভর্তুকির সুবিধা থেকে মাঠ পর্যায়ের ভুক্তভোগী ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা বরাবরই বঞ্চিত থাকে। এসব সুবিধা ভোগ করে থাকে কতিপয় মুখচেনা মানুষ। করোনাজনিত আর্থিক স্থবিরতা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা যেন প্রস্তাবিত বাজেটের সুফল পায় সেদিকে সরকারকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেয়ার অনুরোধ করছি। 

এছাড়া বাজেটে অ-ফসলি কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের জন্য বিশেষ কর্মসূচিতে অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন ছিল। কৃষির বিকাশে ই-কমার্স এরই মধ্যেই কাজে লাগানো হয়েছে। যারা স্টার্টআপ ই-কমার্সের মাধ্যমে কৃষির বিকাশে ভূমিকা রাখছে তাদের দিকেও সরকারের মনোযোগ আকর্ষণ করছি। এছাড়া রংপুর বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। তাই সংশোধিত বাজেটে রংপুর বিভাগে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প জোন স্থাপনের ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের ব্যক্তিমালিকানাধীন (প্রোপ্রাইটরশিপ) যেসব ব্যবসায় বছরে তিন কোটি টাকা বা তার বেশি পণ্য বিক্রি হয়, তাদের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ন্যূনতম আয়কর আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে লাভ-লোকসান যা–ই হোক, ব্যবসায়ীদের এই কর দিতে হবে।  এটা কোনো স্বাধীন দেশে থাকা উচিত নয়। অর্থাৎ আপনার ব্যবসায় যদি বড় লোকসানও হয়, তবু আপনাকে আয়কর দিতে হবে। এতে বিপাকে পড়বেন মূলত বড় দোকানদার, পাইকারি ব্যবসায়ী, কোম্পানির পরিবেশক ও উৎপাদনশীল খাতের ব্যক্তিমালিকানাধীন কারখানার মালিকেরা। তাই সংশোধিত বাজেটে আরোপিত শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ ন্যূনতম আয়কর রহিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট আপিলের খরচ বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ বিধান কার্যকর হবে। এ উদ্যোগ ব্যবসা সহজীকরণ ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী। এটি ব্যবসায়ীদের ওয়ার্কিং ক্যাপিটালকে সংকুচিত করবে। কোনো ব্যবসায়ীই খুশিতে-স্বেচ্ছায় আদালতে যায় না। ব্যবসায়ীরা তখনই আদালতের দ্বারস্থ হন, যখন ন্যায়বিচার পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তাই মামলা কিংবা রাজস্ব ঝুলে থাকার দোহাই দিয়ে এত বিশাল অংকের ব্যয় ব্যবসায়ীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়। তাই আমরা বিষয়টি সদয় বিবেচনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানি করার ক্ষেত্রে অগ্রীম করের পরিমাণ ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ ও অগ্রিম কর সমন্বয় করার জন্য দুই কর মেয়াদের পরিবর্তে চার কর মেয়াদে সমন্বয় করার সুযোগ দেয়া হয়েছে।  কিন্তু আমরা কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রীম কর প্রত্যাহ্যার করার প্রস্তাব করছি। কেননা এতে ব্যবসায়ীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ আগাম কর বাবদ সরকারকে দিতে হয়। ফলে মূলধন সংকটে পড়েন উদ্যোক্তারা।

প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি শুল্ক ও কর, স্থানীয় ভ্যাট, আয়কর, করপোরেট কর সম্পর্কে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা বিগত বছরগুলোর মতো স্বাভাবিক প্রকৃতির। করোনা মহামারীর পরিবর্তিত সময় ও পরিস্থিতি উপযোগী বলে মনে হচ্ছে না। প্রত্যাশা ছিল, ব্যতিক্রমী সময় হিসেবে স্থানীয় শিল্পকে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি প্রতিরক্ষণের সুবিধা দেয়ার। প্রত্যাশিত এ প্রতিরক্ষণের হার ন্যূনতম ৩০-৪০ শতাংশ হওয়া উচিত ছিল বলে রংপুর চেম্বার মনে করে। 

এছাড়া  রফতানিতে উৎসে কর বাড়ানো এবং প্রমোশনাল ব্যয় ও ভ্রমণ ব্যয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করার ফলে করপোরেটের করের বোঝা বাড়তে পারে, যা করপোরেট কর কমানোর সুফলটুকু কেড়ে নেবে। তাতে করপোরেট করে ছাড় এলে তেমন কোনো সুফল বয়ে আনবে না। বরং বাজেট করপোরেটদের আরও চাপে ফেলবে। তাই বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংকে জমা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক কাটার যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা রংপুর চেম্বার কোনোভাবেই সমর্থন করে না। ব্যাংকে সবাই বৈধ টাকা রাখে, এটা কর দেয়া টাকা। এর ওপর আবার কর কাটা মানা যায় না। আবগারি শুল্কের মাধ্যমে মানুষকে ব্যাংকে টাকা রাখায় নিরুৎসাহিত করা হলে অবৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাচার হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা  থাকে। মানুষ ব্যাংকের বাইরে চলে গেলে সমস্যা বাড়বে। তাই সংশোধিত বাজেটে আবগারী শুল্ক হ্রাস করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস পাঠানো এবং ডাটা ব্যবহারের খরচও বেড়ে যাবে। দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এমনিতেই মানুষের মধ্যে যখন নাভিশ্বাস উঠেছে, মোবাইল মাধ্যম হয়ে উঠেছে সব যোগাযোগের মূল চালিকা ও দেশ ডিজিটাল ইকোনমির দিকে এগিয়ে চলছে; ঠিক সে সময় এ ধরনের করের বোঝা কোনোভাবেই দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক হবে না। মোবাইল সেবায় কর বাড়ানোর ফলে সাধারণ মানুষ চাপে বেশি পড়বে। তাই পূর্বের ন্যায় সম্পূরক শুল্ক হার বহাল রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে  সিমেন্টের মানোন্নয়নে ব্যবহৃত প্রিপেয়ার্ড এডিটিভস ফর সিমেন্টস, মর্টারস অর কংক্রিটস (এইচএস কোড : ৩৮২৪.৪০.০০) আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে হলে নির্মাণ খাতকে উজ্জীবিত করতে হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান ধরে রাখতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রচুর উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। এসব উন্নয়ন কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান উপকরণ সিমেন্ট। তাই দেশীয় সিমেন্টশিল্পের অগ্রীম আয়কর প্রত্যাহারসহ অন্যান্য শুল্ক কমানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে এইচএস কোডে বাল্ক ফিল্ড মিল্ক নামে ভেজিটেবল ফ্যাট মিশ্রিত দুধের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়ানো হয়নি। বাংলাদেশে এইচএস কোডে বাল্ক ফিল্ড মিল্ক নামে ভেজিটেবল ফ্যাট মিশ্রিত দুধ অবাধে আমদানির ফলে দেশের দুগ্ধ শিল্প আজ ধ্বংসের মুখোমুখী। তাই আমরা বাল্ক ফিল্ড মিল্ক নামে ভেজিটেবল ফ্যাট মিশ্রিত দুধের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ১০০% করা এবং অ্যান্টিডাম্পিং ট্যাক্স আরোপ করে দেশীয় দুগ্ধ শিল্প রক্ষার জোর দাবি জানাচ্ছি। 

এছাড়া পশুখাদ্য ও আধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানিতে সব শুল্ক প্রত্যাহার করা এবং গরুকে বাঁচিয়ে রাখতে কৃষকদের সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা ও বিনা শর্তে ঋণ প্রদান করা এবং মাংস শিল্পকে রক্ষার্থে বিদেশ থেকে মাংস আমদানি নিরুৎসাহিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। 

প্রস্তাবিত বাজেটে স্থানীয় পর্যায়ে লোকাল এলসির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে কর ২ শতাংশ প্রস্তাব করা হয়েছে। অথচ আগে কোনো উৎসে কর ছিল না। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। তাই এই হার ২ শতাংশ নির্ধারণ না করে শূন্য শতাংশ হারে নির্ধারণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। 

প্রস্তাবিত বাজেটে ভার্চুয়াল ব্যবসায় বা অনলাইন কেনাকাটায় ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা সম্ভাবনাময় অনলাইনে কেনাকাটায় প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি করবে। তাই সংশোধিত বাজেটে প্রযুক্তিপ্রেমীদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে অনলাইন কেনাকাটায় ভ্যাট রহিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রস্তাবিত বাজেটে বজ্রপাতরোধী যন্ত্রের আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। সংশোধিত বাজেটে আমদানি শুল্ক পূর্বের ন্যায় বহাল রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। 

প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্পের জন্য লবণ আমদানির ওপর শুল্কহার বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে লবণের দাম বেড়ে যেতে পারে। সংশোধিত বাজেটে লবণ আমদানির ওপর শুল্কহার পূর্বের ন্যায় বহার রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু

সভাপতি, রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি