করোনা মহামারী শুরুর প্রায় ছয় মাস অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু আজ পর্যন্ত এ মহামারী জনমনে যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, তা সম্পূণরূপে নিবৃত্ত করা যায়নি। দেশে করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এরই মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে। উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের অনেক দেশেই শীতের আগমনের আগেই কভিড-১৯ সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই শীতকাল শুরু হওয়ার আগে আমাদের এ বিষয়ে সচেতন এবং সাবধান হওয়া প্রয়োজন। এবারের নিবন্ধে আমরা কভিড-১৯-এর সংক্রমণ এবং ওই সংক্রমণে সংঘটিত মৃত্যুহারের বাস্তব চিত্রটি সময়ানুক্রম মডেল (টাইম সিরিজ) ব্যবহার করে দেখার চেষ্টা করেছি। এ নিবন্ধে এপিডেমিওলজিক্যাল প্রক্ষেপণ পরিহার করা হয়েছে, যেখানে মূলত রোগতত্ত্বসংক্রান্ত নানা স্বতঃসিদ্ধের প্রয়োজন হয়; বরং এখানে আমরা তুলনামূলক সময়ানুক্রম তথ্য বিশ্লেষণ করে কভিড-১৯-এর সাম্প্রতিক সংক্রমণ ও মৃত্যুহারের একটি স্বল্পমেয়াদি প্রক্ষেপণ করেছি, যার মূল উদ্দেশ্য নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুহারের প্রবাহ সম্পর্কে ধারণা লাভ করা। যেহেতু বাংলাদেশে কভিড-১৯-এর ল্যাব টেস্টের সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় তেমন বিস্তার লাভ করেনি এবং টেস্টগুলো দৈবভাবে সম্পন্ন করা হয় না, অর্থাৎ সাধারণত টেস্টগুলো উপসর্গের চাহিদাভিত্তিক সম্পন্ন হয়ে থাকে বিধায় সংক্রমণ হার বেশি দেখায়। তার পরও এ নিবন্ধের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ দৃষ্টিতে দেশের করোনা পরিস্থিতির সাম্প্রতিক চিত্র কী হতে পারে, তার একটি সম্যক ধারণা লাভ করা। অতিসম্প্রতি একটি নিবন্ধে আমরা আগস্ট পর্যন্ত উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছিলাম যে সেপ্টেম্বরে সংক্রমণের হার হ্রাস এবং মৃত্যুহার বৃদ্ধি পাবে; যা বাস্তবে ঘটেছে। মূলত প্রকৃত উপাত্তের সঙ্গে প্রাপ্ত প্রক্ষেপণের তুলনামূলক আলোচনা এবং সামনে কভিড-১৯ পরিস্থিতির চিত্র কেমন হতে পারে, তাই আমরা দেখার চেষ্টা করব। চিত্র-১-এ সংক্রমণের মাস অনুযায়ী বিস্তার দেখুন।



যদিও সংক্রমণ হারের প্রবৃদ্ধি জুন ও জুলাইয়ে হ্রাস পেয়েছিল কিন্তু উল্লিখিত সময়কালে গড়ে সংক্রমণ হার মোটামুটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিরাজ করেছে। আগস্টের শুরুতে সংক্রমণ হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে বৃদ্ধি পেলেও তা সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে, যা সেপ্টেম্বরেও অব্যাহত ছিল; যা আমরা প্রক্ষেপণ করেছিলাম। চিত্রের অনুমেয় বৃদ্ধি-হ্রাসের মাত্রা পরিসংখ্যানগতভাবে সংখ্যায় প্রকাশের লক্ষ্যে আমরা অর্ডিনারি লিস্ট স্কোয়ার রিগ্রেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে পুরো সময়কাল এবং প্রতিটি মাসের জন্য সংক্রমণ হারের প্রবৃদ্ধি নির্ণয় করেছি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী দেখা গেছে, এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৮৯ ল্যাব টেস্ট সম্পন্ন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩৪ জন কভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে কভিড-১৯ শনাক্ত রোগীদের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ২৪৬ জন। এ তথ্যানুযায়ী এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট সংক্রমণের হার ১৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আগস্ট পর্যন্ত বিশ্লেষণে আমরা দেখিয়েছি যে সেপ্টেম্বরে সংক্রমণ হার ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ হারে হ্রাস পেতে পারে এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। সম্প্রতি প্রকৃত উপাত্ত থেকে আমরা জানতে পেরেছি ওই সময়ে সংক্রমণ হার ১ দশমিক ১০ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে এবং মৃত্যুহার শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পরিষ্কার দেখতে পাই যে আমাদের প্রক্ষেপণের নির্দেশমুখিতা সঠিক ছিল এবং আশাব্যঞ্জক যে পরিমাণগতভাবে কিছুটা কম হার লক্ষ করা গেছে। সংক্রমিত রোগীর মধ্যে মৃত রোগীর প্রকৃত সংখ্যা তেমন বেশি নয়। এপ্রিল ও মে মাসে কভিড-১৯ সংক্রমণ হারের গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যা পরিসংখ্যানগতভাবে তাত্পর্যপূর্ণ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী আগস্টে ওই গড় প্রবৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে, যা চিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জনমনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের ভিড়ে সংক্রমণ হার হয়তো বেড়ে যেতে পারে; কিন্তু সরকারি তথ্যানুসারে এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংক্রমণ হারে যে নিম্নগতি দেখা যাচ্ছে, সে অনুযায়ী বোধগম্য হয় যে বাংলাদেশ কভিড-১৯-এর ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ জনসাধারণের সাধারণ বিশ্বাস মোতাবেক সংঘটিত হয়নি।


অন্যদিকে আমরা যদি কভিড-১৯ সংঘটিত মৃত্যুহারের দিকে একটু নজর দিই, তাহলে ভিন্ন ধরনের একটি চিত্র দেখতে পাই।

ওপরের চিত্র (চিত্র-২) অনুযায়ী এপ্রিল, ২০২০-এর শুরুতেই কভিড-১৯-এর কারণে সংঘটিত মৃত্যুহার অনেক বেশি থাকলেও তা অল্প কিছুদিনের ভেতরেই হ্রাস পেয়ে মোটামুটি অপরিবর্তনীয় হারে অব্যাহত থাকে। তবে এক্ষেত্রে এপ্রিলের শুরুর উল্লম্ফনের একটি ব্যাখ্যা প্রয়োজন: এপ্রিলের শুরুর দিকে ল্যাব টেস্টের দৈনিক পরিমাণ খুবই কম ছিল। ফলে সংক্রমণের সংখ্যাও কম দেখা গেছে। এতে মৃত্যুহারের (সংক্রমণের বিপরীতে) একটি অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে, যা আবার সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে তাত্পর্যপূর্ণ নয়। পরবর্তী সময়ে ল্যাব টেস্টের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুহারের দৈনিক ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ শতাংশের ভেতর নেমে আসে। জুনের মাঝামাঝি সময়ে মৃত্যুহার হ্রাস পেলেও জুলাইয়ের মাঝামাঝি থেকে তা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও এ বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। এতে একটি বিষয় স্বাস্থ্যবিদসহ সবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর তা হলো, সংক্রমণ হার হ্রাস পেলেও মৃত্যুহারের বৃদ্ধি। এটি নানা কারণে হতে পারে। যেমন (১) কভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণ তেমন বৃদ্ধি না পেলেও হয়তো এর মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে অথবা (২) সাম্প্রতিক সময়ে হয়তোবা অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণ সাধারণ ব্যক্তিদের তুলনায় বেশি ঘটছে। এছাড়া ল্যাব টেস্ট এবং সংক্রমিত রোগীর সংখ্যার মধ্যকার পিয়ারসন’স সম্পর্ক সহগ (পিয়ারসন’স কো-রিলেশন কোফিশিয়েন্ট) থেকে দেখা যায় যে ওই সহগের মান শূন্য দশমিক ৯০, যা প্রায় ১-এর কাছাকাছি (যা পরিসংখ্যানগতভাবে ১% তাত্পর্য স্তর বা ‘সিগনিফিকেন্স লেভেল’ এও তাত্পর্যপূর্ণ)। এ থেকে অনুমান করা যায় যে ল্যাব টেস্টটি মূলত অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যেই সংঘটিত হয়েছে। ফলে ল্যাব টেস্টের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কভিড-১৯-এ সংক্রমিত রোগীর সংখ্যাও প্রায় একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ একজন সুস্থ মানুষের কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার তুলনায় একটি কভিড উপসর্গে আক্রান্ত অসুস্থ রোগীর ভেতর নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি।


নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুহারের গতিপ্রকৃতি জানার সঙ্গে সঙ্গে আরো একটি বিষয় সরকারি নীতিনির্দেশনা গ্রহণের ক্ষেত্রে অতিগুরুত্বপূর্ণ। আর তা হলো, আগামী দিনে কভিড-১৯-এর সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কী হারে বৃদ্ধি বা হ্রাস পাবে। এটি জানার লক্ষ্যে আমরা ১ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ইকোনমেট্রিকসের কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে কভিড-১৯-এর সংক্রমণ ও মৃত্যুহারের একটি প্রক্ষেপণ করেছি অক্টোবর মাসের জন্য। ইকোনমেট্রিকস প্রক্ষেপণের সঙ্গে জড়িত শব্দ বা টার্মগুলো সাধারণ পাঠকের কাছে পরিচিত না-ও হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব টেকনিক্যালিটি পরিহার করে ওই প্রক্ষেপণ বার্তা এখানে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা প্রক্ষেপণের জন্য ইউনিভেরিয়েট টাইম সিরিজের অন্তর্গত ‘অ্যারিমা’ পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। ওই পদ্ধতি অনুসরণ করে সংক্রমণ হারের আগামী ৩০ দিনের প্রক্ষেপণ নিম্নের চিত্রে উপস্থাপন করা হলো।

উপরের চিত্র (চিত্র-৩) অনুযায়ী লাল রেখাটি (মধ্যবর্তী) হলো কভিড-১৯-এর সংক্রমণ হারের প্রক্ষেপিত রেখা। আমরা যদি প্রকৃত সংক্রমণ হারের (মধ্যবর্তী হলুদ রেখা) তথ্যের সঙ্গে আমাদের প্রক্ষেপিত রেখার তুলনা করি তাহলে দেখব যে নমুনা সময়কালের ভেতর আমাদের অ্যারিমা মডেলটি প্রকৃত রেখার খুবই কাছাকাছি ছিল এবং প্রক্ষেপণের সঠিকতা ৯৫ শতাংশ কনফিডেন্স সীমার ভেতর রয়েছে। প্রক্ষেপণের চিত্র অনুযায়ী আমরা বলতে পারি, আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সংক্রমণ হার প্রায় ১০-১৩ শতাংশের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুহারের প্রক্ষেপণ ১ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর সময়কালের জন্য নির্ণয় করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ।


সংক্রমণ হারের অনুরূপ উপরোক্ত চিত্রটি (চিত্র-৪) পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে কভিড-১৯-এর কারণে প্রকৃত মৃত্যুহারের (হলুদ রেখা) তথ্যের সঙ্গে আমাদের প্রক্ষেপিত মৃত্যুহার (লাল রেখা) নমুনা সময়কালে খুবই কাছাকাছি অবস্থান করেছে, যা প্রক্ষেপণের নির্ভুলতার অন্যতম মাপকাঠি। ওই প্রক্ষেপণ অনুযায়ী আমরা বলতে পারি আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সংঘটিত মৃত্যুহারে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সেপ্টেম্বরের প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে প্রায় মিলে যায়। প্রাপ্ত প্রক্ষেপণের ভিত্তিতে আমরা ১ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সংক্রমণ ও মৃত্যুর প্রক্ষেপিত হারের প্রবৃদ্ধি নির্ণয় করেছি। এ হিসাব অনুযায়ী, যদি বর্তমান কভিড-১৯ পরিস্থিতি প্রক্ষেপিত সময়কালে অন্য কোনো বাহ্যিক উপাদান দ্বারা প্রভাবিত না হয় তাহলে ওই সময়কালে সংক্রমণ হার গড়ে শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে এবং মৃত্যুহার গড়ে প্রায় ২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে আরো বোঝা যায়, সম্প্রতি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শিথিল করা বা ঈদ উপলক্ষে জনমানুষের চলাফেরা বৃদ্ধিতে নভেল করোনাভাইরাসের ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ বাংলাদেশে সংঘটিত হয়নি, তাই আমাদের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, দেশের অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখা এবং আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সব অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং বাজার কর্মকাণ্ড শতভাগ সচল করার সময় এসেছে। তবে মৃত্যুহার বৃদ্ধি রোধে নানা শারীরিক জটিলতায় জর্জরিত জনসাধারণকে অতিমাত্রায় সচেতন রাখার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ ঘরের বাইরে চলাফেরার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি মেনে চলাফেরার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আসন্ন ‘শীতকালে নভেল করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রমণ বৃদ্ধি’—এমন অনুমিত সিদ্ধান্ত বাস্তবে রোধ করা যেতে পারে বলে আশা করা যায়।

 

ড. শামসুল আলম: একুশে পদকপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ

মোহাম্মদ জারিয়াব হোসেন: গবেষণা সহযোগী