গার্ডিয়ান জানাচ্ছে, ২০০৮ সালে প্রথম ফ্রান্স ও জার্মানিতে দেখা গিয়েছিল সাউদার্ন স্মল হোয়াইট, এরপর ২০১৫ সালে নেদারল্যান্ডস এবং ২০১৯ সালে ক্যালাইসের কাছে এর উপস্থিতি দেখা যায়।

বাটারফ্লাই কনজারভেশন নামের একটি সংস্থার ডিরেক্টর ড. ড্যান হোয়ারে এই খবরটিকে খুবই উত্তেজনাপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এটি ধীরে ধীরে উত্তরের দিকে আসছিল এবং আমরা কেবল যুক্তরাজ্যে এর প্রথম দেখা পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম।’

এই প্রজাপতি দেখতে সাধারণ সাদা প্রজাপতির মতোই, তবে এর ডানার কোনায় কালো দাগগুলো একটু আলাদা ও চৌকো আকৃতির।

সাউদার্ন স্মল হোয়াইট প্রজাপতিটি ১ জুলাই একজন পাখি পর্যবেক্ষক হার্টলপুলে দেখতে পান। এরপর ২ আগস্ট সাফোকের একটি প্রাকৃতিক সংরক্ষণাগারে উইলিয়াম ব্রেম নামের আরেকজন এটি দেখেন এবং তার ছবি তোলেন। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই প্রজাতিটি এখন যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করবে। এর শুঁয়োপোকা ‘ক্যান্ডিটাফট’ নামের একটি ঝোপের পাতা খায়, যা যুক্তরাজ্যের জঙ্গলে খুব সহজলভ্য।

এই নতুন প্রজাপতির আগমন এমন এক সময়ে হলো, যখন ব্রিটেনে ইতিহাসে সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল বসন্ত ঋতু ছিল। এই বছর বিগ বাটারফ্লাই কাউন্টে ‘জার্সি টাইগার মথ’ নামে আরেকটি প্রজাতির সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় ৭৮ শতাংশ বেড়েছে।

ড. হোয়ারে বলেন, ‘প্রজাপতি বা মথ ভালো থাকলে আমরা সবসময় আনন্দিত হই। কিন্তু আমরা এটাও জানি যে দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কিছু প্রজাতি সুবিধা পেলেও, অনেক প্রজাতিই হুমকির মুখে পড়ছে।’