সন্তান জন্মদানের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং সন্তান ধারণের আশঙ্কা সম্পর্কিত কারণগুলো বুঝতে জরিপ চালাচ্ছে চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন (এনএইচসি)। ৩০ হাজার চীনার ওপর এই জরিপ চালানো হচ্ছে। চীনা কর্তৃপক্ষ গত কয়েক বছর ধরেই দেশটিতে হ্রাসমান জন্মহার বাড়াতে চেষ্টা করছে। খবর রয়টার্স।

এই জরিপে চীনের ১৫০টি কাউন্টি এবং ১ হাজার ৫০০টি ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে গত বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে। এনএইচসির অধীনে থাকা চায়না পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার পরিচালনা করছে এই জরিপ।

জরিপের উদ্দেশ্য হলো— সন্তান ধারণ নিয়ে অনীহা এবং ভয় বিশ্লেষণ করা এবং শেষ পর্যন্ত সন্তান ধারণে সহায়তা এবং প্রণোদনা ব্যবস্থা প্রদান করা। ২০২৩ সালে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো জনসংখ্যা হ্রাসের পর তরুণ দম্পতিদের সন্তান নিতে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে বেইজিং।

চীনে দেশব্যাপী সর্বশেষ পরিবার এবং সন্তান ধারণ সম্পর্কিত জরিপ পরিচালিত হয়েছিল ২০২১ সালে। এর আগে চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো বলেছিল, ১০ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তারা জনসংখ্যার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণের জন্য দেশব্যাপী একটি নমুনা জরিপ চালাবে।

চীনা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সেপ্টেম্বর মাসে জানিয়েছিলেন যে, তারা ‘উপযুক্ত বয়সে’ বিয়ে এবং সন্তান ধারণের পক্ষে আরো প্রচারণা চালাবে এবং যৌথ পিতামাতার দায়িত্ব গ্রহণের ওপর জোর দেবে। যাতে তরুণদের বিয়ে, সন্তান ধারণ এবং পরিবার সম্পর্কে ‘ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি’ গ্রহণে উৎসাহিত করা যায়।