বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।
সূত্রগুলোর ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের পর্যায়ে আলোচনা শেষে সম্প্রতি হুথি নেতাদের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। তবে কীভাবে বা ঠিক কখন এ বার্তা পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে তারা বিস্তারিত জানায়নি। মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হামলার হুমকির আগে না পরে এ বার্তা দেয়া হয়েছে, তাও নিশ্চিত নয়।
এ বিষয়ে জানতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও হুথিদের মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে রয়টার্স। তবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
হুথিঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে ইয়েমেনের হোদেইদা ও এডেন উপসাগরসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন করে জাহাজে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছে হুথিরা। এখন কেবল নির্দেশের অপেক্ষা। হুথি সূত্রটির দাবি, কখন বাব আল-মান্দেব প্রণালি কার্যত বন্ধ করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইয়েমেনে অবস্থানরত ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রতিনিধিরা।
অন্য একটি সূত্রের ভাষ্য, বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করা ইরানের কৌশল। সূত্রটির মতে, লোহিত সাগরের নৌপথ এবং সৌদি আরবের তেল রফতানিকে হুমকির মুখে ফেলে ওয়াশিংটনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে চেয়েছে তেহরান।
ওই সূত্র আরো বলে, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত করা খুব কঠিন নয়। অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজন নেই। সাধারণ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েও জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো সম্ভব।










