ইরানি বিমানের অবতরণ ঠেকাতে হুতি নিয়ন্ত্রিত সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী। আজ সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর বিবিসি, আনাদোলু।
ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘সাবা’ প্রকাশিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের জাতীয় বেসামরিক বিমানকে সানা বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা দিলেও ইরানের একটি উড়োজাহাজকে সেখানে নামার অনুমতি দেয়, যা দেশের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিমানবন্দরের রানওয়েটি লক্ষ্য করে সামরিক পদক্ষেপ নেয়া হয়।
বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, মাহান এয়ারের ওই বিমান সোমবার ইয়েমেনের সানার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি ওমানের আকাশসীমা ব্যবহার করে সানার দিকে যাচ্ছিল।
ইরানের সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’ পরে জানায়, দিনের শুরুতে সানা বিমানবন্দরের রানওয়েকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলে বিমানটি দিক পরিবর্তন করে লোহিত সাগর উপকূলবর্তী হোদেইদাহ শহরে গিয়ে অবতরণ করে।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর এ হামলার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি। এক বিবৃতিতে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ হামলার ঘটনাটি কোনো ধরনের প্রতিশোধ ও শাস্তি ছাড়া এমনি এমনি ছাড় দেয়া হবে না।
ইয়েমেনের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং ইরানের মাহান এয়ারের মধ্যে একটি বিমান পরিবহন চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার খবর প্রকাশের পর এ ঘটনা ঘটে। ওই খবরে বলা হয়েছিল, চুক্তি অনুযায়ী ইরান ও ইয়েমেনের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করা যেতে পারে।










