যুক্তরাষ্ট্র টানা তৃতীয় দিনের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তু এবং তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। এ হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং নিরাপদে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে টোল আদায় করবে।

মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়। লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল বন্দরনগরী বুশেহর ও বন্দর আব্বাস। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করে দেয়া। এ দাবির সমর্থনে তারা হামলার ভিডিও প্রকাশ করেছে।

এদিন দুপুরের দিকে বন্দর আব্বাসের পশ্চিমাঞ্চল, বুশেহর ও চোগাদক এলাকায় আবারও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। তবে এসব হামলার দায় তখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি।

প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ইরান বাহরাইন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-সংশ্লিষ্ট দুটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি রয়েছে এবং জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে।

বাহরাইন জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। রাজধানী মানামায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার পর দেশটি অভিযোগ করেছে, ইরান বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অন্যদিকে জর্ডান জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।