সেমিকন্ডাক্টর নির্মাণে তাইওয়ানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চাচ্ছে জাপান। গতকাল উভয় পক্ষের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য আলোচনায় বিষয়টি উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স।

জাপানে তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের (টিএসএমসি) সম্প্রসারণ পরিকল্পনার প্রশংসা করেছেন জাপান-তাইওয়ান এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মিত্সু ওহাশি। তিনি বলেন, আশা করি এ সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে এবং তাইওয়ান ও জাপানের সরবরাহ চেইন শক্তিশালী হতে সহায়তা করবে।

ওহাশি আরো বলেন, মহামারীতে জাপান ও তাইওয়ানের মধ্যে বিনিময় কমলেও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক গভীর হয়েছে।

এদিকে গত সেপ্টেম্বরে কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রোগেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (সিপিটিপিপি) জোটে তাইওয়ানের সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রয়াসকে সমর্থন করায় জাপানকে ধন্যবাদ জানান তাইওয়ান-জাপান রিলেশনস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান চিয়ু আই-জেন।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন, অর্থনীতি ও বাণিজ্যের জন্য তাইওয়ান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাইওয়ান যদি সিপিটিপিপিতে যোগ দেয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এ চুক্তির গুরুত্ব বেড়ে যাবে।

তাইওয়ান ও জাপানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও তাদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে। দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের সামরিক তত্পরতা বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন তাইওয়ান ও জাপান। প্রতি বছর উভয় দেশের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজিত হয়। কিন্তু মহামারীর কারণে উভয় পক্ষ একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে মিলিত হয়।