চীনের বাজারে সর্বশেষ ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হিসেবে ওয়ানপ্লাস ১০ প্রো উন্মোচন করেছে অপো মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি। তবে বিশ্ববাজারে এখনো স্মার্টফোনটি বাজারজাত করা হয়নি। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে ওয়ানপ্লাস১০আর নামে আরো একটি স্মার্টফোন বাজারজাতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর গিজমোচায়না।
প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য সত্য হলে ওয়ানপ্লাস ১০আর স্মার্টফোনটিতে মিডিয়াটেকের ডাইমেনসিটি ৯০০০ চিপসেট ব্যবহার করা হতে পারে। অপোর আসন্ন ফাইন্ডএক্স৫ স্মার্টফোনেও এ চিপ ব্যবহার করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ স্মার্টফোনের পাশাপাশি ওয়ানপ্লাস ১০ স্ট্যান্ডার্ড ভার্সনের উৎপাদন ও বাজারজাতও পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
অ্যান্ড্রয়েড সেন্ট্রাল প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, ওয়ানপ্লাস ১০ স্মার্টফোনটিতে ফাইভজির জন্য মিলিমিটারওয়েভ কানেক্টিভিটি সাপোর্ট ফিচার না থাকায় এতে ডাইমেনসিটি ৯০০০ চিপ ব্যবহার করা হবে না। ফলে উত্তর আমেরিকার বাজারের জন্য স্মার্টফোনটি উপযুক্ত নয়। শুধু এশিয়ার বাজারের জন্য ওয়ানপ্লাস ১০আর ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনটিতে আর-সাফিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এ অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা ডাইমেনসিটি ৯০০০ সিরিজের চিপসেট সংবলিত স্মার্টফোন দেখতে পাবেন।
২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর ব্যবহার করে আসছিল। তবে নর্ড২ বাজারজাতের মাধ্যমে এ চর্চা থেকে সরে আসে চীনের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ওয়ানপ্লাস তাদের বাজেট, মিড রেঞ্জ ও আপার মিড রেঞ্জের স্মার্টফোনগুলোতে মিডিয়াটেকের চিপসেট ব্যবহারের দিকেই ঝুঁকছে। বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় স্ন্যাপড্রাগন চিপের মূল্য বাড়িয়েছে কোয়ালকম। পাশাপাশি স্মার্টফোনের বাজারে ফাইভজি কানেক্টিভিটি প্রদানের দিক থেকে মিডিয়াটেক অনেকটাই এগিয়ে। প্রযুক্তিবিদদের ধারণা এসব কারণেই হয়তো ওয়ানপ্লাসসহ বিভিন্ন স্মার্টফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বর্তমানে মিডিয়াটেক প্রসেসর ব্যবহারকেই প্রাধান্য দিচ্ছে।
বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে ওয়ানপ্লাস ১০আর স্মার্টফোনটিতে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের অ্যামোলেড ডিসপ্লে থাকতে পারে। এতে ৮ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ থাকতে পারে। তবে স্মার্টফোনটির বাজারমূল্য, ক্যামেরা, ব্যাটারিসহ অন্যান্য তথ্য পাওয়া যায়নি।










