২০২২ সাল ছিল অর্থনৈতিক ব্যয় সংকোচনের বছর। মূলত কভিড-১৯ মহামারীর পর মূল্যস্ফীতি, ডলারের মানে উত্থান-পতন ভোক্তা ব্যয় নীতিতে পরিবর্তন আনে। এর প্রভাব প্রযুক্তি খাতেও ছড়িয়ে যায়। ফলে পণ্য নির্মাতাদের আয়ও কমতে থাকে। নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ সময়ের তুলনায় সম্প্রতি পণ্য বিক্রিতে সবচেয়ে বড় অবনমন দেখেছে স্টিভ জবসের প্রতিষ্ঠানটি। খবর বিবিসি।
২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২২ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে কুপারটিনোর প্রযুক্তি জায়ান্টটির বিক্রি ৫ শতাংশ কমেছে। এটি ছিল ২০১৯ সালের পর সবচেয়ে বড় পতন। অনেক সংস্থা তীব্র অর্থনৈতিক মন্দা সম্পর্কে সতর্ক করছে। বিশেষ করে যখন প্রযুক্তি সংস্থায় খরচ কমানোর হিড়িক পড়েছে তখনই অ্যাপলের এ খবর সামলে এল।
বিষয়টি স্বীকার করে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক জানান, অ্যাপল বর্তমানে চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে। কভিডের কারণের চীনের সরবরাহ ঘাটতিকেই দায় দেয়া হচ্ছে। ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও মহামারীর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবজনিত অর্থনৈতিক মন্দাকেও চিহ্নিত করেন কুক।
এক কনফারেন্স কলে তিনি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ব অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। অ্যাপলও এর বাইরে নয়। সারা বিশ্বে প্রযুক্তিপণ্য বিক্রিতে ভাটা পড়েছে, যা অ্যাপলের বেশির ভাগ পণ্যকে প্রভাবিত করেছে।










