রেমন্ড স্ট্রিট ছিলেন কুইনস ওন রয়াল ওয়েস্ট কেন্টসের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের সৈনিক। তিনি কোহিমার যুদ্ধে অংশ নেয়া একজন ব্রিটিশ সেনা। কোহিমার যুদ্ধে তার স্মৃতিচারণ নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে উই ফট অ্যাট কোহিমা: আ ভেটেরান’স অ্যাকাউন্ট নামের গ্রন্থ। এ গ্রন্থ থেকে কিছু অংশের অনুবাদ করেছেন ইমন মাহমুদ
কোহিমা অবরোধ:
১০ এপ্রিল, ১৯৪৪
ভোরের আলোয় সি কোম্পানি হতাশার মধ্যে দেখছিল জাপানিরা সামনের লাইনের উন্মুক্ত পরিখা ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা তাদের ও আমাদের মৃত সৈন্যদের মরদেহ সরিয়ে, তার ওপর পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমরা তখন আমাদের কমরেডদের জ্বলতে দেখলাম। পোড়া মাংসের দুর্গন্ধ ছিল ভয়ানক ও বিরক্তিকর। আগের রাতে ঝড়ের পরে ভোরটি ছিল ভেজা ও কুয়াশাচ্ছন্ন। সি ও ডি উভয় কোম্পানিতেই তীব্র জনবল সংকট ছিল। অবরোধের শুরুতে তারা পূর্ণ শক্তিতে ছিল না। এ ও বি কোম্পানি এতটা খারাপ অবস্থায় না থাকলেও পূর্ণ শক্তিতেও ছিল না। বার্মার আরাকানে আগের অ্যাকশনের পর বি কোম্পানি কখনই তার সৈন্য সংখ্যা পূরণ করেনি। সি কোম্পানি এখন ৫০ শতাংশেরও বেশি আহত অবস্থায় এবং জাপানিরা কোম্পানির সামনের পরিখা দখল করায় তাদের অবস্থানও নিরাপদ ছিল না। অবিলম্বে শক্তিবৃদ্ধি প্রয়োজন, নতুবা তারা উচ্ছেদ হবে। পরে সেই সকালে, ল্যাভার্টি সদর দপ্তর কোম্পানি থেকে সৈন্য পাঠিয়েছে। সি কোম্পানিকে বাকি দিন অবস্থান ধরে রাখার এবং সেই সন্ধ্যায় এফএসডি (ফিল্ড সাপ্লাই ডিপো) পাহাড়ে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হলো। প্রত্যাহারের আদেশের অপেক্ষায়, সি কোম্পানি নিজেদের ডিআইএস স্পুর এবং এফএসডি স্পুরের পথগুলোতে মাইন পুঁততে ব্যস্ত ছিল। তারা যাতে জাপানিদের হাতে ধরা না পড়ে, সেজন্য প্রচুর পরিমাণে খাবার ও পণ্যের সরবরাহ ধ্বংস করতে ব্যস্ত ছিল। যানবাহন ও সরঞ্জামগুলো নালায় ঠেলে দেয়া হলো। সি কোম্পানির একজন প্রাইভেট টম গ্রেটলি তৃষ্ণা মেটাতে কিছু রস পান করে ফলের টিনগুলো ছিদ্র করে দেন, যাতে সেগুলো গরমে নষ্ট হয়ে যায়। স্পষ্টতই কয়েক টন লবণে জারিত গরুর মাংস ও ফলের টিন এভাবে ধ্বংস করা হয়। আমরা এগুলো সঙ্গে নিতে পারতাম না, আর জাপানিরাও যেন এগুলো ভোগ করতে না পারে সেজন্য আমরা এমনটা করেছিলাম।
ভিজে ভিজে
ক্রমাগত যুদ্ধের
প্রস্তুতি ও
ঘুমের অভাবের
কারণে আমরা
এতদিন ভয়ানক
অবস্থার মধ্যে
ছিলাম। আমরা
গোসল ও
শেভ করা
বন্ধ করে
দিয়েছিলাম। আমাদের
দাড়ি ও
চুল লম্বা
হচ্ছিল এবং
সেগুলো থেকে
দুর্গন্ধ ছড়াতে
লাগল। মৃতদেহের
গন্ধে পরিবেশটা
আরো খারাপ
ও দুর্বিষহ
হয়ে গিয়েছিল।
আমাদের আত্মরক্ষার্থে
পরিখার সামনে
স্থাপিত প্রাচীর
থেকে প্রস্রাবের
দুর্গন্ধ ছড়াতে
শুরু করল।
যা-ই
হোক, শেষমেশ
আমরা শৌচকর্মের
জন্য অপ্রয়োজনীয়
একটি গর্ত
ব্যবহার করা
শুরু করলাম।
জাপানিরা প্রতিবার
নতুন সৈন্য
পাঠিয়েছে, তাই
যুদ্ধের ক্লান্তি
তাদের জন্য
তেমন সমস্যা
ছিল না।
এটা আমাদের
জন্য অনেক
কষ্টের ছিল,
কারণ আমরা
একদমই বিশ্রাম
করতে পারিনি।
আমরা স্নাইপারদের
ক্রমাগত আক্রমণ
ও বিক্ষিপ্ত
বন্দুকযুদ্ধের হুমকিতে
ছিলাম। সেজন্য
রান্নাঘর থেকে
খাবার বিতরণ
করা কঠিন
ছিল এবং
সামনের লাইনে
যারা ছিল
তাদের কাছে
খাবার পৌঁছানো
প্রায় অসম্ভব
ছিল। তাদের
সঙ্গে থাকা
লবণে জারিত
গরুর মাংস
ও বিস্কুটই
ছিল ভরসা।
কিন্তু খাদ্য
প্রধান উদ্বেগ
ছিল না।
সৈন্যদের জন্য
কার্যকর অস্ত্র
ও প্রচণ্ড
তৃষ্ণা নিবারণের
জন্য খাওয়ার
পানি থাকা
আরো গুরুত্বপূর্ণ
ছিল। আক্রমণের
সময় যাতে
জ্যাম হয়ে
না যায়,
তাই তারা
ক্রমাগত তাদের
রাইফেল ও
মেশিনগান পরিষ্কার
করে নিচ্ছিল।
এগুলো ও
গ্রেনেড না
থাকলে আমরা
হয়তো হেরেই
যেতাম। এ
দৈনন্দিন ব্যবস্থা
আমাদের তৃষ্ণা
মেটানোর জন্য
ক্রমাগত পানির
দুশ্চিন্তা থেকে
দূরে রাখতে
সাহায্য করেছে
এবং আমরা
যাতে না
ঘুমাই সে
ব্যাপারেও আমাদের
সতর্ক থাকতে
সাহায্য করেছে।
জাপানিদের প্রোপাগান্ডা
ইউনিট ‘টোকিও
রোজ’ মাঝে
মাঝে আমাদের
উপহাস করেছে
এবং উত্তেজিত
করার চেষ্টা
করেছে। তারা
এক রকম
লাউড স্পিকারে
ঘোষণা করতে
লাগল, আমাদের
সেনারা আমাদের
ছেড়ে চলে
গিয়েছে। তারা
সৈন্যদের উদ্দেশে
ঘোষণা করছিল
আত্মসমর্পণ করলে
কারো সঙ্গেই
খারাপ ব্যবহার
করা হবে
না। আমরা
সবাই এক
মুহূর্তের জন্য
চুপচাপ থেকে
তারপর মেশিনগান
চালাতে শুরু
করতাম, যাতে
তারা বুঝতে
পারে আমরা
কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ
করছি না।
জাপানিরা আমাদের
যেসব সৈন্যকে
অন্যত্র বন্দি
করেছে তাদের
সঙ্গে বর্বর
আচরণ করা
হয়েছে শুনেছি।
তারা প্রায়ই
বেয়নেট অনুশীলনের
জন্য বন্দিদের
কাঁটাতারে মুড়িয়ে,
গাছের সঙ্গে
বেঁধে তাদের
নির্যাতন করত।
কোহিমায় বন্দি
হওয়া সিনক্লেয়ার
নামে আমাদের
এক সৈন্যের
সঙ্গে এমনটি
ঘটেছে।
দুপুরের দিকে
করপোরাল নরম্যান
ও প্রাইভেট
হ্যানকিনসন, লাভেল,
থ্রাসলার, জনসন
ও গুডঅলকে
জাপানি লাইনের
কাছাকাছি অবস্থানে
যাওয়ার জন্য
এবং সি
ও ডি
কোম্পানি ফিল্ড
সাপ্লাই ডিপো
রিজে ফিরে
না যাওয়া
পর্যন্ত তাদের
অবস্থান ধরে
রাখার জন্য
বিশদ বিবরণসহ
নির্দেশ দেয়া
হয়েছিল। এটি
আমার কাছে
অত্যন্ত ভয়ংকর
ও আত্মঘাতী
কাজ মনে
হচ্ছিল। তারা
ভিজে ভিজে
ক্লান্ত এবং
হতাশ অবস্থায়
ছিল, কিন্তু
তারা কোনো
অভিযোগ করেনি।
তারা প্রত্যেকে
পদক পাওয়ার
যোগ্য ছিল।
তারা ঠিক
এমন একটি
এলাকার দিকে
এগিয়ে যাচ্ছিল,
যা থেকে
মাত্র ১০
গজ দূরে
জাপানি সৈন্য
দ্বারা পরিবেষ্টিত।
তাদের ক্রিয়া
আমাদের মাইন
পুঁততে, খাদ্য
সরবরাহ ধ্বংস
করতে এবং
সৈন্যদের অবশিষ্ট
ঘরগুলোকে পুড়িয়ে
ফেলার জন্য
সময় করে
দিয়েছিল।
তারা ফিরে
যাওয়ার আগ
পর্যন্ত প্রায়
৬ ঘণ্টা
তাদের অবস্থান
ধরে রেখেছিল
এবং কার্যত
সমস্ত পথ
হামাগুড়ি দিয়ে
গিয়েছিল। হ্যানকিনসন
সেই রাতে
এফএসডি পর্বতে
গোলাগুলির সময়
পেছনে আঘাত
পান। সেই
সন্ধ্যায় আমাদের
ফিরে যাওয়া
সহজ ছিল
না। জেল
পর্বতে অবস্থানরত
জাপানিরা এমন
বিক্ষিপ্তভাবে মর্টার-কামান
বর্ষণ করতে
লাগল যে
আমাদের চারপাশ
ধোঁয়ায় কালচে
হয়ে উঠল।
লেফটেন্যান্ট ফিথিয়ান
ও বি
কোম্পানির অফিসার
গর্ডন ইঙ্গলিস
স্নাইপারদের দ্বারা
আঘাতপ্রাপ্ত হন।
ইঙ্গলিসের মাথায়
আঘাত করা
হয়। সে
একজন অত্যন্ত
সাহসী সৈনিক
ছিল। তিন
সপ্তাহ পর
সে মৃত্যুবরণ
করে। সন্ধ্যার
সময় শত্রুদের
ক্রমাগত মর্টারিংয়ের
ভেতর দিয়েই
সি কোম্পানি
ফিরে যাচ্ছিল।
ইস্টেন চিত্কার
করে সার্জেন্ট
বক্সওয়েলকে নির্দেশ
দিচ্ছিলেন, যখন
একটি মর্টার
শেল তাদের
ওপর পড়তে
যাচ্ছিল। এটি
বক্সওয়েলকে উড়িয়ে
দেয় এবং
মারাত্মকভাবে আহত
করে। বিস্ফোরণে
ইস্টেন একটি
পরিখায় নিক্ষিপ্ত
হন, তার
পিঠের চামড়া
উঠে যায়
এবং একটি
হাতে মারাত্মক
আঘাত লাগে।
তাকে দ্রুত
নিরাপদ স্থানে
নিয়ে যাওয়া
হয়। ক্যাপ্টেন
ফ্রেড কোলেট
ইস্টেনের স্থলাভিষিক্ত
হন। সি
কোম্পানিতে আরো
হতাহতের ঘটনা
ঘটে: প্রাইভেট
স্ট্যান উইকস,
গেরি ব্লুমফিল্ড,
ক্লিফ আর্নি
ফোর্ড ও
জন হাসলাম
সেদিন সম্মুখযুদ্ধে
নিহত হন।
হতাহতের কারণে
সি কোম্পানির
আর কার্যকরী
কোনো ইউনিট
ছিল না,
তাই তারা
ডি কোম্পানির
সঙ্গে যোগদান
করে। টম
কোথ কমান্ডারের
দায়িত্ব নেন।
এ কোম্পানিও
ভালো অবস্থায়
ছিল না।
যদি তাদের
মাথায় কার্যকরী
আবরণ না
থাকত, তবে
তারাও ভযাবহ
হতাহতের শিকার
হতো এবং
কখনই তাদের
অবস্থান ধরে
রাখতে পারত
না। বেশ
কয়েকবার সামনের
পরিখায় গোলাবারুদ
ফুরিয়ে গিয়েছিল,
কিন্তু সার্জেন্ট
উইলিয়ামস বারবার
গ্রেনেডের বাক্সগুলো
শত্রুপক্ষের ভয়ানক
আগুন সত্ত্বেও
সামনের সারিতে
পৌঁছে দিয়েছিলেন
এবং আমাদের
অবস্থান পুনর্বিন্যাস
করতেও সাহায্য
করেছিলেন। এর
জন্য তিনি
সামরিক পদক
পেয়েছেন। তিনি
খুবই সাহসী
ছিলেন। আসলে
তারা সবাই
সাহসী ছিলেন।
দুজন বয়স্ক
সৈন্য ক্লাব
হাউজের কাছে
ঢিবিটিতে স্থাপিত
মেশিনগানটি চালিত
করতে সক্ষম
হয়েছিলেন। আমরা
জানতাম না
তারা কারা।
তারা কেউ
ছিল। তবে
তারা দুর্দান্ত
একটি কাজ
করেছে। স্রোতের
মতো তাদের
নিখুঁত বর্ষণ
টেনিস কোর্টে
জাপানিদের টুকরো
টুকরো করে
ফেলেছিল। আমি
জানি না
তারা কতজনকে
মারতে পেরেছিল,
তবে জাপানিরা
বিপুলসংখ্যক সৈন্য
হারিয়েছিল। জাপানিরা
বুঝতে পেরেছিল
কী ঘটছে,
তাদের লক্ষ্য
ছিল ঢিবির
দিকে এবং
একজনকে হত্যা
করতে সক্ষম
হয়। অন্যজন
তার অবস্থানে
থেকে দৃঢ়ভাবে
মেশিনগান চালাতে
থাকে। একটি
মর্টার শেলের
আঘাতে সেও
নিহত হয়।
দিনের বেশির
ভাগ সময়
এ কোম্পানির
ওপর বিরতিহীনভাবে
বৃষ্টির মতো
শেলবর্ষণ চলতে
থাকে, যা
বাংকার ও
অস্ত্রের গর্তগুলোকে
কাঁপিয়ে দেয়
এবং চারদকি
অন্ধকারাচ্ছন্ন করে
তোলে। জাপানিরা
সেই সন্ধ্যায়
হেডকোয়ার্টার ও
যুদ্ধক্ষেত্রের আশপাশে
১০ মিনিটের
মধ্যে শতাধিক
মর্টার শেল
নিক্ষেপ করে
অনেককে হত্যা
ও আহত
করে। সৈন্যরা
নিজেদের দুর্গন্ধযুক্ত
মলমূত্রের ওপর
শুয়ে ছিল,
যা ছিল
অত্যন্ত অসহনীয়।
অবিরাম বৃষ্টি
মাটি ধুয়ে
ফেলেছিল এবং
মৃতদেহের কিছু
ক্ষয়প্রাপ্ত অংশ
তাদের অগভীর
কবর থেকে
বের হয়ে
আসছিল। মৃত
ও আহতদের
চারপাশে মেঘের
মতো মাছি
জড় হতে
থাকে এবং
সৈন্যদের ক্ষতগুলোতে
বসতি স্থাপন
করে আরো
সংক্রমণ তৈরি
করে। বৃষ্টি
অগভীর পরিখায়
প্রবেশ করতে
শুরু করল,
যেখানে আহতরা
কাদার ওপর
শুয়ে ছিল।
যুদ্ধক্ষেত্রে হতাহতের
সংখ্যা সবসময়
বাড়ছিল। ভারতীয়রা
এমনকি তাদের
কিছু রেশন
ছেড়ে দিয়েছিল
যাতে আহতরা
একটু বেশি
পায়। অপারেশন
চলমান কূপগুলোতে
ইয়াং ও
তার ডাক্তাররা
অবিরাম কাজ
করেছিলেন। তারা
শুধু একটি
জায়গা খুঁজে
কাপড় আবৃত
করার মতো
অবসর পেয়েছিলেন।
তারা আদিম
অবস্থায় কাজ
করত এবং
ছুরি দিয়ে
অঙ্গচ্ছেদ করা
হতো। তাদের
অত্যধিক ব্যবহার
তাদের ভোঁতা
করে তোলে।
চারপাশে শেল
পড়ার সময়
তারা অবশ্যই
অনেক চাপের
মধ্যে ছিল।
তার পরও
আঘাত পাওয়া
সৈন্য বা
যাদের ক্ষত
সংক্রমিত হয়েছে,
তাদের সমস্ত
ধরনের চিকিৎসা
করতে হয়েছিল।
তারা কখনো
কোনো অভিযোগ
করেনি। গ্লোভার
নামে একজন
ডাক্তার দুটি
পৃথক ঘটনায়
দুবার গুলিবিদ্ধ
হন। এমনকি
আহতরা যেখানে
পারত সেখানেই
মুখ থুবড়ে
পড়ে থাকত
এবং খারাপ
অবস্থায় একে
অন্যকে সাহায্য
করত ও
সান্ত্বনা দিত।
মেজর শ,
যিনি অবরোধের
প্রথম দিকে
আহত হয়েছিলেন,
তিনি সবার
জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক
ছিলেন। কখন
কী ঘটছে,
তিনি সবকিছু
জানতে চাইতেন।
তিনি পরিখায়
আটকে থাকা
অবস্থায় শেক্সপিয়র
পড়ে সময়
কাটানোর চেষ্টা
করলেও তাতে
মনোনিবেশ করতে
পারেননি। তারপর
প্যাড্রে র্যান্ডলফ
তাকে একটি
বাইবেল ধার
দিয়েছিলেন এবং
তিনি এটি
পড়তেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ
করলেন।
করপোরাল আর্থার হে একজন স্ট্রেচার বহনকারী এবং সবসময় এটার সঙ্গেই থাকতেন। ভারি অগ্নিকাণ্ডে আহতদের চিকিৎসার জন্য তিনি এরই মধ্যেই আরাকানে সামরিক পদক জিতেছেন। কোহিমার অবস্থা ঠিক তেমনই ছিল।





