১৯৪৪-এর কোহিমা যুদ্ধকে রণাঙ্গন বিশ্লেষক ও ঐতিহাসিক মার্টিন ডোহার্টি ও জোনাথান রিটার পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, ‘স্তালিনগ্রাদ অব দ্য ইস্ট’ আর রবার্ট লেম্যান মনে করেন কোহিমাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। কোহিমার দুর্গম রণাঙ্গনেই জাপানের প্রথম পরাজয়, যে পরাজয় জাপান আর কখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি, যে পরাজয় দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে অক্ষশক্তির পরাজয় ত্বরান্বিত করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কোহিমা রণাঙ্গন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতি থেকে বিস্মৃত হওয়ার পথে, বিশ্বযুদ্ধের মানচিত্রেও বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে এ ঐতিহাসিক যুদ্ধ। ৯৯ বছর বয়স্ক ব্রিটিশ সৈনিক ক্যাপ্টেন রসিন রাওল্যান্ডও আফসোস করলেন বিজয়ী হয়েও তারা উপেক্ষিত রয়ে গেলেন। তিনি বর্ণনা দিচ্ছিলেন, আমরা যখন শহরে প্রবেশ করি চোখে পড়ে একটি ধ্বংসযজ্ঞের পর আর একটি ধ্বংসযজ্ঞ, চোখে পড়ে পরিত্যক্ত ট্রেঞ্চ, লন্ডভন্ড গ্রাম—যতই সামনে এগোই ততই তীব্র লাশের গন্ধ। ১৯৪৪-এর তরুণ ক্যাপ্টেন তখন ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির পাঞ্জাব রেজিমেন্টের সৈনিক। তাদের দেড় হাজার সৈন্য ১০ গুণ বেশি জাপানি সৈন্যকে প্রতিহত করেছে। জাপানি সৈন্যরা যখন রণাঙ্গনে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে তাদের একমাত্র সহায় ছিল মিত্রবাহিনীর আকাশ পথে পাঠানো সাহায্য। কেউ কেউ বড়জোর ভেবেছে অলৌকিক কিছু না ঘটলে তাদের আর বাঁচার সম্ভাবনা নেই। জাপানিরা বার্মার মধ্য দিয়ে মার্চ করে কোহিমা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তাদের পরবর্তী লক্ষ্য ভারত আক্রমণ করে নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়া। এক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা হচ্ছে জনপ্রিয় ভারতীয় নেতা সুভাষচন্দ্র বসু জাপানিদের সশস্ত্র সমর্থন জানিয়ে আসছেন। ভারতীয়রাও ব্রিটেনের হাত থেকে মুক্তি চায়। সুতরাং স্থানীয় সমর্থন নিশ্চিত। জাপানিদের বার্মা পর্যন্ত পৌঁছা সমরবিজ্ঞানীরা মেনে নিয়েছেন কিন্তু মশা, ম্যালেরিয়া ও দুর্ভেদ্য জঙ্গলের সঙ্গে আঁতাত করে তারা নাগাল্যান্ডের শহর কোহিমা এবং মনিপুরের রাজধানী ইম্ফল পৌঁছে যাবে এটা ছিল অবিশ্বাস্য।

১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের একটি ক্রান্তিক্ষণে জয়-পরাজয় যখন অনিশ্চিত, সেই সময় তিন দফায় ৪ থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতের নাগাল্যান্ডের শহর কোহিমায় অক্ষ ও মিত্রশক্তির যুদ্ধ হয়। ৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে জাপানিরা চেয়েছে কোহিমা উপত্যকা দখল করে নিতে, কারণ এ পথে ইম্ফলে মোতায়েন ফোর্থ কোরের ব্রিটিশ ও ভারতীয় বাহিনী খাদ্য ও সামরিক রসদের সরবরাহ পেয়ে থাকে।

জাপানিদের ভারত আক্রমণ ও অবরোধ পরিকল্পনার কোড নাম ‘ইউ-গো’র প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল মনিপুরের ইম্ফলে মোতয়েন করা চতুর্থ কোরের আক্রমণ প্রতিহত করা এবং মিত্রশক্তির আঞ্চলিক সামরিক পরিকল্পনা নস্যাৎ করা। কিন্তু জাপানি পঞ্চদশ সেনাদলের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রেনিয়া মুতাগুচি এ পরিকল্পনা সম্প্রসারিত করে ভারত আক্রমণ ও দখল এবং কার্যত ব্রিটিশরাজ উত্খাতের কার্যক্রম হাতে নেন। মুতাগুচি মনে করলেন ভারতের মাটিতে জাপানের পদক্ষেপটি দৃঢ় হলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কাঁপিয়ে দেয়া যাবে। আর স্থানীয় সমর্থন পাওয়া যাবে বলে কাজটি তেমন দুরূহ হবে না। ভারতবর্ষে জাপানি হস্তক্ষেপ চেয়েছে আজাদ হিন্দ ফৌজ, তবে সে চাওয়া শর্তসাপেক্ষ। মোরে সীমান্তে বার্মার ভৌগোলিক সীমানা শেষ এবং ভারতের শুরু, বিজিত ভারত বা ভারতের অংশের দায়িত্ব গ্রহণ করবে আজাদ হিন্দ বাহিনী এবং বিজিত সবকিছু আজাদ হিন্দ সরকারের কাছে সমর্পিত হবে। শুরুতে এ দাবি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ থাকলেও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর হস্তক্ষেপ ও প্রভাবে জাপানি সম্মিলিত বাহিনীর প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী জেনারেল তোজো ঘোষণা করেন:

An inch of land occupied either by Nippon or by INA on Indian Soil will be controlled by the provisional government of free India.

নেতাজি সুভাষচন্দ্র ভারতবাসীর কাছে যে সমর্থন চেয়েছেন কিছুসংখ্যক নিবেদিত কর্মী ছাড়া আর কারো কাছে তা পাননি। মহানায়ক নেতাজি গ্রন্থে ডা. আবদুল বারি লিখেছেন:

‘...কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা যে নেতাজি ইঙ্গ-মার্কিন সম্মিলিত শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামের ঘোষণা করার এবং রণাঙ্গনের সীমানা ভারতবর্ষের অভ্যন্তরে এগিয়ে নিয়ে যাবার পরেও ভারতবর্ষের কোনো বিপ্লবী দল বা রাজনৈতিক গোষ্ঠী শত্রুপক্ষকে ব্যতিব্যস্ত করতে বিশেষ কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন বা চেষ্টা করেছেন এমন উল্লেখযোগ্য কোনো প্রমাণ নেই।’


নেতাজির বাহিনীর অনেক সাফল্য থাকলেও কোহিমার যুদ্ধে তাদের অংশগ্রহণ বিলম্বিত হয়ে যায়। আইএনএর প্রথম ও দ্বিতীয় গেরিলা রেজিমেন্ট মালিক মুনাওয়ার খান আওয়ানের নেতৃত্বে কোহিমা অভিমুখে যাত্রার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু তাদের বাহিনী উখরুল পৌঁছতেই জাপানিরা নিজেদের প্রত্যাহার করে নিতে শুরু করে। আইএনএ তখনো কোহিমা থেকে দেড়শ মাইল দূরে। এ অবস্থায় তারা কোহিমার বদলে ইম্ফল আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ইম্ফল আক্রমণের আগেই দুই রেজিমেন্টের বেশকিছু সংখ্যক সৈন্য দলত্যাগ করে পালিয়ে যায়। জাপানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাওয়াবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোহিমা থেকে পিছিয়ে আসা সৈন্যদলকে কমান্ডার মুতাগুচি আদেশ দিলেন তাদের ফিফটিনথ ডিভিশনের সঙ্গে যোগ দিয়ে ইম্ফল আক্রমণ জোরদার করতে হবে। কোহিমা থেকে তাদের প্রত্যাবর্তনের কারণ ছিল লাগাতার অনাহার, মিত্রশক্তি তাদের খাদ্য ও রসদ সরবরাহ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু দুই রেজিমেন্টের একটিও তার আদেশ মানেনি, প্রকৃতপক্ষে মুতাগুচির ইম্ফলের বাহিনীও তখন পালানোর পথ খুঁজছিল। ৩ জুলাই তিনি যখন তার সৈন্যদের প্রত্যাহারের আদেশ করলেন, তারা ততদিনে পরাস্ত বাহিনী। জাপানি সৈন্যরা বহুসংখ্যক সামরিক যানবাহন, গোলাবারুদ, ভারী অস্ত্র এবং হাঁটতে না-পারা মারাত্মক আহত সৈনিকদের পেছনে ফেলে চিন্দুইন নদীর ধারে সমবেত হলো। ব্রিটিশ সৈন্যরা আরো কিছুকাল পর যখন কোহিমা দখল করল, তারা পেল সাড়ে পাঁচশ জাপানি সৈন্যের মৃতদেহ।

দূরপ্রাচ্যের কোহিমা যুদ্ধ (বার্মা সীমান্ত থেকে ৩০ মাইল দূরে) দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট। ১৯৪৪ সালে জাপানিদের মার্চ টু দিল্লির পূর্বশর্তই ছিল বার্মা অধিকার। এই মার্চের শুরু ৭ মার্চের মধ্যরাত। দুই ডিভিশন জাপানি সৈন্য ইম্ফলে আক্রমণ চালায়। ১৫ মার্চ থার্টিফার্স্ট ডিভিশন কোহিমা আক্রমণ করে। আগের দুই সপ্তাহ জাপানি সৈন্যরা যথেষ্ট ঘুরে ঘুরে যুদ্ধ জরিপ করে এবং সৈন্যদের খাওয়ানোর জন্য চাষীদের কাছ থেকে বলপূর্বক পাঁচ হাজার গরু নিয়ে আসে। মনে করা হয় এতে ফৌজের ৫০ দিনের মাংসের ব্যবস্থা হলো। এটা স্পষ্ট হয়ে উঠল তাদের খাদ্য সংকট রয়েছে।

জাপানি ফৌজের কোহিমা আক্রমণের খবর সেখানকার পলাতক শরণার্থীদের কাছ থেকে ১৮ মার্চ ব্রিটিশ সৈন্যরা জানতে পারে। একই দিন ব্রিটিশ জেনারেল স্লিম ইম্ফলে এক ডিভিশন সৈন্য পাঠানোর হুকুম দেন। গোলন্দাজ ইউনিটসহ এগিয়ে এসে ৫ এপ্রিল যখন জাপানিরা আক্রমণ শুরু করে তখন কোহিমাতে ব্রিটিশ কর্নেল রিচার্ডসের অধীনে মাত্র দেড় হাজার সৈন্য। আক্রমণ চালাচ্ছে ১২ হাজার জাপানি সৈন্য। ১৮ এপ্রিল পাঞ্জাব রেজিমেন্ট এসে যোগ দেয় এবং জাপানি বাহিনীর ওপর গোলন্দাজ আক্রমণ চালায়। ২২ তারিখ মধ্যরাতে রয়্যাল বার্কশায়ার ফোর্স ছোট আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বহুসংখ্যক জাপানিকে ধরাশায়ী করে। মিত্রশক্তির পাল্টা আক্রমণে জাপানিরা কোহিমা পর্বত ছেড়ে পিছিয়ে যায়। তাদের তখন খাদ্য ঘাটতি চলছিল। এ অবস্থায় ভুল তথ্যের কারণে জাপানি কমান্ডার সাতো কোহিমা বিজয়ের অভিনন্দন পেতে থাকে। তিনি জবাব পাঠান—অভিনন্দন নয় খাবার পাঠান, সৈন্যরা না খেয়ে মরছে। ১৬ থেকে ২২ জুনের লড়াইয়ে ব্রিটিশ-ভারতীয় ফৌজ কোহিমা ও ইম্ফল দখল করে নেয়।


কোহিমার যুদ্ধে বাঙালিরা সমর্থনের অংকে দ্বিধাবিভক্ত ছিল—নেতাজি না গান্ধীজি: জাপান না ব্রিটেন। কোহিমা ও ইম্ফলের ভারতীয় ও ব্রিটিশ সৈনিকদের দাবি তারা ইতিহাস-বিস্মৃত সৈনিক হয়ে পড়েছে, যদিও তাদের অবস্থানই বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের বিজয় সমুন্নত রেখেছে।

নেতাজির আইএনএর অপারেশন ডায়েরি ১৯৪৪

২১ মার্চ: আরাকান ফ্রন্টে তোয়াঙ্গজান ও হাতা কোকো অ্যারোড্রাম দখল।

২২ মার্চ: মনিপুর অভিমুখে মার্চ।

২৩ মার্চ: ভিড্ডিক দখল, সহস্র শত্রু হত্যা।

২৪ মার্চ: তামু উপস্থিতি, ইম্ফল অ্যারোড্রামে বোমাবর্ষণ।

২৫ মার্চ: ইম্ফল থেকে ৩০ মাইল দূরে আইএনএর অবস্থান। টিড্ডাম-ইম্ফল সড়ক বিচ্ছিন্ন। আইএনএর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি।

২৬ মার্চ: টিড্ডাম দখল; ১৭ ডিভিশনের ১০ হাজার সৈন্য গ্রেফতার, আরাকান ফ্রন্টে ১৫ ডিভিশনের ওপর বোমাবর্ষণ। ইম্ফল যুদ্ধ শুরু।

২৭ মার্চ: ১০০০ মোটর লরি অবরোধ।

২৮ মার্চ: কোহিমা যুদ্ধের সূচনা।

২৯ মার্চ: নিক্কালা অ্যারোড্রাম দখল; চট্টগ্রামে বোমাবর্ষণ।

৩০ মার্চ: সঙ্গসল দখল। উকসল ও প্যালেল-টামু সড়ক বিচ্ছিন্ন।

৩১ মার্চ: ইম্ফল-কোহিমা সড়ক বিচ্ছিন্ন। শত্রুপক্ষের ২৭০০ সৈন্য নিহত। দক্ষিণ ইন্দো-বার্মা ফ্রন্টে ৭৬০ জন শত্রু যুদ্ধবন্দি।

১ এপ্রিল: ইম্ফলের কাছে তীব্র লড়াই; মেয়ো নদীর পশ্চিমে আইএনএর শত্রুপক্ষের খাদ্যগুদাম দখল।

৩ এপ্রিল: ইম্ফল-কোহিমা সড়ক দখল।

৭ এপ্রিল: আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ে হুমকির মুখে; শিলচরে বোমাবর্ষণ।

১২ এপ্রিল: সেবঙ্গ, কেমল, তিনপুর ও চুড়াচান্দপুর দুর্গ আইএনএর দখলে।

১৩ এপ্রিল: ইম্ফলের ওপর বহুমুখী আক্রমণ।

১৫ এপ্রিল: আইএনএর সৈন্যরা পারহেমা ক্যান্টনমেন্ট পুড়িয়ে দেয়।

১৭ এপ্রিল: ইম্ফলের দুটি পাহাড় ও মাথিনগিয়াথ ক্যান্টনমেন্ট দখল।

২০ এপ্রিল: ফোর্থ ব্রিটিশ আর্মি রেজিমেন্ট পালাতে শুরু করে।

২৪ এপ্রিল: ইম্ফলে বোমাবর্ষণ।

২৭ জুন: আইএনএর প্রতিরক্ষামূলক লড়াই শুরু হলো।

অপারেশন ডায়েরির আংশিক উদ্ধৃত হলো। যথেষ্ট সাফল্যের পর বর্ষাকাল এসে যায়। কোহিমা ফ্রন্টে জাপানিরা মার খেতে থাকে। ইম্ফলেও পরিস্থিতি পাল্টে যায়। আইএনএ মার খেতে থাকে।

কোহিমা কোথায়—কত দূরে?

কোহিমা যুদ্ধের সঙ্গে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলন ও রণাঙ্গনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘কোহিমার যুদ্ধ’ কবিতার পুরোটাই উদ্ধৃত হওয়ার দাবি রাখে:

 

একটি গ্রাম্য কিশোর একদিন নিরুদ্দেশের পথে পা বাড়িয়েছিল।

নিঝুম দুপুর, শুনশান, আর সবাই ঘুমন্ত

পুকুরের জলের মতন সেখানে সবকিছু নিস্তরঙ্গ

শারদীয় ধান খেতের ওপর সেখানে বোমারু বিমানের ছায়া পড়ে না

শুধু দূরের উষ্ণ বাতাসে ভেসে আসে এক এক সময়

সামরিক হল্কা...

আল পথে একা একা হেঁটে যাচ্ছিল কিশোর ছেলেটি

পিঠে তার বাঁখারির তির ধনুক, হাতে গাছের ডালের বন্দুক

তার বুক ভরা জয়ের অভিমান

সে চলেছে এক মরণপণ যুদ্ধযাত্রায়।

সে শুনেছে কোহিমায় লড়াই করছে ভারতীয় সৈনিকেরা

বলদৃপ্ত ইংরেজদের সঙ্গে শুরু হয়েছে স্বাধীনতার সংগ্রাম

তলোয়ার তুলে ছুটে আসছেন নেতাজি

কিশোরটিও ছুটছে, তাকে যেতে হবে, কোহিমায় যেতে হবে

কোহিমা কোথায়, কত দূরে তা সে জানে না

তবুও তাকে যেতে হবেই

সেতুবন্ধের সময় যেমন গিয়েছিল এক কাঠবিড়ালি।

 

এম এ মোমেন: সাবেক সরকারি কর্মকর্তা