দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে
তরুণ নাহিদ রানার জায়গায় ফেরানোর কথা ছিল তাসকিন আহমেদকে। যদিও সেটা করা লাগেনি। শরিফুল
ইসলাম ইনজুরিতে পড়ায় সেই জায়গায় খেলানো হচ্ছে তাসকিনকে। যার বাদ পড়ার কথা ছিল সেই নাহিদ
রানা আজ রাওয়ালপিন্ডির উইকেটে আগুণ ঝরালেন। তার গতিময় বলের বিষাক্ত ছোবলে আহত পাকিস্তান
৮১ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলেছে ৬ উইকেট।
এ প্রতিবেদন লেখার সময়
প্রথম সেশনে ৩০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৭ রান নিয়ে চতুর্থ দিন মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে যায়
পাকিস্তান। মোহাম্মদ রিজওয়ান ৩৮ ও আগা সালমান ৭ রানে অপরাজিত রয়েছেন। দুই ইনিংস মিলে
স্বাগতিকদের লিড এখন ১২৯ রানের।
পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডের
চেহারা আরো খারাপ হতে পারতো। দলীয় ৬৫ রানে বাবর আজম আউট হলে তার জায়গায় নামা রিজওয়ান
প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দেন। তবে হাতে বলটি জমাতে পারেননি সাদমান ইসলাম। আগের বলে বাবরের
ক্যাচ নিলেও এবার শরীরের ভারসাম্য রাখতে পারেনন। প্রথম বলে জীবন পেয়ে পরে দারুণ ব্যাটিংয়ে
দলকে টানছিলেন রিজওয়ান। তিনিই এখন বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণের পথে বড় বাধা।
রোববার হাসান মাহমুদের
তোপের মুখে ৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান। আজ সকালে দিনের নবম ওভারে পাকিস্তানের
প্রথম উইকেটটি নেন তাসকিন। তার বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে মিড অফে নাজমুল হোসেনকে ক্যাচ
দেন সাইম আইয়ুব। তিনি ৩৫ বলে ২০ রান করেন। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে শান মাসুদ, বাবর
আজম ও সৌদ শাকিলকে সাজঘরে ফেরান নাহিদ।
টানা তিন ওভারে উইকেট
নেন নাহিদ। প্রথম ওভারে শান মাসুদ, দ্বিতীয় ওভারে বাবর ও তৃতীয় ওভারে শাকিল তার শিকার
হয়ে ফেরেন সাজঘরে। দুর্দান্ত এক স্পেলে ৫ ওভার বোলিং করে ২২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন ২১
বছর বয়সী এই পেসার। এটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট। আগের দুই টেস্টে নিয়েছেন ৬ উইকেট।
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম
টেস্ট ১০ উইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় টেস্ট জিততে মরিয়া পাকিস্তান।
আর বাংলাদেশকে সিরিজ জিততে এই ম্যাচে ন্যূনতম ড্র করলেই চলবে।










