রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সেই রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ শুরু সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। এই টেস্টটি জিতলে কিংবা ড্র করলেই ইতিহাস গড়বে নাজমুল হোসেন শান্তরা। আগে কখনো পাকিস্তানের মাঠে টেস্টই জিততে পারেনি টাইগাররা, সেখানে এখন সিরিজ জয়ের হাতছানি।

 

রাওয়ালপিন্ডিতে শুক্রবার শুরু হতে যাওয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের একাদশ থেকে বাদ পড়লেন পাকিস্তানের পেস বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি। পাকিস্তান হেড কোচ জ্যাসন গিলেস্পি অবশ্য ‘বাদ পড়া’ শব্দ ব্যবহার করতে নারাজ। তিনি বরং এটা বুঝাতে চান, দলে নিজের কার্যকারিতার জায়গায় উন্নতি আনতে কিছু জায়গায় কাজ করতে চান বোলারটি। পাকিস্তানের ১২ জনের স্কোয়াডে এসেছেন লেগস্পিনার আবরার আহমেদ ও ফাস্ট বোলার মির হামজা।

 

সাবেক অজি ফাস্ট বোলার গিলেস্পি বলেছেন, ‘শাহিন এই ম্যাচে খেলছে না। তার সঙ্গে আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং আমরা যা ভাবছি সে বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতেও পেরেছে। শাহিন নিজের বোলিং নিয়ে কিছু কাজ করছে, যাতে দলে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সে আজহার মেহমুদের সঙ্গে কাজ করছে। আমরা চাই শাহিন তার সেরা ফর্মে ফিরুক, কেননা সব ফরম্যাটে আমাদের সামনে অনেক খেলা এবং আমরা চাই শাহিন তাতে বড় ভূমিকা পালন করুক।’

 

গত এক বছর ধরে শাহিনের ফর্ম নিয়ে পাকিস্তানে উৎকন্ঠা তৈরি হয়েছে। পেসবান্ধব অস্ট্রেলিয়ার উইকেটে তার গড় ছিল ৪১-এর উপরে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে নিচের সারির দুটি উইকেট পেয়েছেন ৯৬ রান খরচ করেছে। সাম্প্রতিক ইনজুরির পর তার বলেল গতিও কমে গেছে। সব উদ্বেগের কথা উড়িয়ে দিলেও পারফরম্যান্স দিয়ে সেটা অবশ্য প্রমাণ করতে পারেননি তিনি।

 

সম্প্রতি বাবা হয়েছেন শাহিন। এ বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘শাহিনের গত কয়েকটি সপ্তাহ বেশ চিত্তাকর্ষক ছিল। সে বাবা হয়েছে। আমরা এমন একটি সুযোগ খুঁজছিলাম যেন সে পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে পারে।’

 

আবহাওয়ার কারণেই ১২ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। কারণ, গত তিন দিন ধরে রাওয়ালপিন্ডিতে বৃষ্টি হয়েছে। আজও বৃষ্টির কারণে দুই দলের অনুশীলন বাতিল হয়ে যায়। দুই দলের সংবাদ সম্মেলনও হয়েছেন হোটেল সেরিনায়।

 

 

রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এবার দ্বিতীয় টেস্ট জিতলে কিংবা ড্র করলেই ইতিহাস গড়বে নাজমুল হোসেন শান্তরা। আগে কখনো পাকিস্তানের মাঠে টেস্টই জিততে পারেনি টাইগাররা, সেখানে এখন সিরিজ জয়ের হাতছানি।