তীরে এসে ডুবল ভারতীয় নারীদের। ফলে গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি জেতা হলো না তাদের। ২২৬ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে ২২৫ রানে অলআউট অতিথিরা। ম্যাচটি টাই হওয়ায় সিরিজও জিততে পারেনি শক্তিশালী দলটি। ম্যাচ শেষে আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভারতীয় দলনায়ক হারমানপ্রিত কাউর। 

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিমর্ষ কাউর বলেন, ‘আমি মনে করি এ খেলা থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। এছাড়া যদি বলি যে ধরনের আম্পায়ারিং হয়েছে তাতে আমরা বিস্মিত। এরপর যখন বাংলাদেশে আসব তখন এ বিষয় নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে এবং সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে হবে।’

বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে কাউর বলেন, ‘তারা (বাংলাদেশ) সত্যিই খুব ভালো ব্যাট করেছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাট করেছে। তারা যে সিঙ্গেলগুলো নিয়েছে তা পরিশেষে মূল্যবান হয়ে উঠেছে। আমরাও হাত ফস্কে কিছু রান দিয়েছি। এরপর ব্যাটিংয়ের সময় ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। যদিও আমি আগেই বলেছি, আম্পায়ারিংয়ে কিছু দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। আম্পায়ারদের কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের চরম হতাশ করেছে।’

সেঞ্চুরিয়ান পিংকির অনুভূতি ঝরল এভাবে, ‘আমার সব সতীর্থ সবসময় বলেছে, যদি কেউ সেঞ্চুরি করে সে হবে পিংকি। পরিকল্পনা ছিল, দীর্ঘ সময় ব্যাট করলে আমরা ২৩০ রান তুলব। আমার সেঞ্চুরি আসলে বিষয় না, দলের রানটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমি কেবল বল টু বল খেলছিলাম। ব্যাটিং আমার ভালো লাগে। এটা আমার জন্য বড় এক সুযোগ ছিল, যা আমি কাজে লাগিয়েছি। আমার পরিবার ও বন্ধুরা সবসময় আমাকে উৎসাহ দিয়েছে, তাই আমি ভালো ব্যাট করেছি। তবে দলে আরো অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে যারা আমার চেয়ে ভালো ব্যাট করতে পারে।’ 

বাংলাদেশ দলনায়ক নিগার সুলতানা ম্যাচ শেষে বলেছেন, ‘অবশ্যই দারুণ এক ম্যাচ, অনেক অভিজ্ঞতা হলো। মেয়েরা যেভাবে লড়াই করেছে তা অবিশ্বাস্য।’