ভারতের বিপক্ষে আজ শনিবার সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ফারজানা হক পিংকির সেঞ্চুরিতে ভর করে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে ইতিহাস গড়লেন ৩০ বছর বয়সী ফারজানা। এর আগে ৫৬ ওয়ানডের ইতিহাসে বাংলাদেশের কেউ সেঞ্চুরি করতে পারেননি। উল্লেখ্য, ছেলেদের ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মেহরাব হোসেন অপি।

 

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়োমে আজ সকালে টস জিতে ব্যাটিং নেয়া বাংলাদেশ ফারজানা ও শামীমা সুলতানার ওপেনিং জুটিতেই পায় ৯৩ রান। শামীমা ৭৮ বলে ৫২ রান করে স্নেহ রানার শিকার হয়ে ফেরার পর দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক নিগার সুলতানার সঙ্গে বোর্ডে আরো ৭১ রান তোলেন ফারজানা।

 

নিগার (৩৬ বলে ২৪) ও রিতু মনি (২) খুব দ্রুততম সময়ের ব্যবধানে আউট হয়ে যান (১৬৯/৩)। নিগারকে রানা ও রিতু মনিকে আউট করেন দেবিকা বৈদ্য। এরপর বাকি ৮.১ ওভার সোবহানা মোস্তারিকে নিয়ে কাটিয়ে দেন ফারজানা। ইনিংসের শেষ বলে রানআউটের শিকার হন এই সেঞ্চুরিয়ান ব্যাটার। তিনি ১৬০ বলে ৭ বাউন্ডারির সাহায্যে ১০৭ রান করেন। আর মোস্তারি ২২ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। অতিরিক্ত খাত থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৭ রান।

 

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ এটি, আর দেশের মাঠে সর্বোচ্চ। গত বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে করা ২৩৪ রানই ওয়ানডেতে নারীদের সর্বোচ্চ স্কোর।

 

ওয়ানডেতে ফারজানার সেঞ্চুরির আগে আগের বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রানের ইনিংস ছিল সালমা খাতুন ও রুমানা আহমেদের। ২০১৩ সালে দুজনই ইনিংস দুটো খেলেন ভারতের বিপক্ষে।   

 

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বাংলাদেশ জিতেছে ডিএলএস মেথডে ৪০ রানে, আর দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত ১০৮ রানের জয় পায়। আজ যারা জিততে তারাই সিরিজের চ্যাম্পিয়ন হবে।


 

এর আগে তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় ভারত।

 

৫৬ ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ১৫টি, হেরেছে ৩৬টি, আর ফলহীন ছিল ৫টি। ১৫২টি টি২০ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের জয় ৫৬টি, হার ৯৩টি, আর ফলহীন ৩টি।