চোটের কারণে গত ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় অ্যাথলেটিকসে অংশ নিতে পারেননি ইমরানুর রহমান। সেই খারাপ সময় পেছনে ফেলে দেশের দ্রুততম মানবের মুকুট পুনরুদ্ধার করলেন তিনি। গতকাল জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসে ছেলেদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে তিনি চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আর মেয়েদের ১০০ মিটারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শিরিন আক্তারকে হারিয়েছেন সুমাইয়া দেওয়ান।
আগের আসরে ইমরানুরের অনুপস্থিতিতে দ্রুততম মানব হন মোহাম্মদ ইসমাইল। গতকাল ইমরানুরের সঙ্গে কেউ পারেননি। ৩২ বছর বয়সী এ স্প্রিন্টার আবার দেশের দ্রুততম মানব হয়েছেন। ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০ দশমিক ৬৪ সেকেন্ড (ইলেকট্রনিক টাইমিং) সময় নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। দ্রুততম মানবের মুকুট হারানো ইসমাইল এবার হয়েছেন তৃতীয়। তিনি ফিনিশিং লাইন ছুঁয়েছেন ১০ দশমিক ৮৮ সেকেন্ডে। ১০ দশমিক ৮৬ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে দ্বিতীয় হয়েছেন আবদুল মোতালেব।
ইমরানুরের মতোই ১০০ মিটারে শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেলেন সুমাইয়া দেওয়ান। তিনি ১২ দশমিক ১৯ সেকেন্ড টাইমিং করে দ্রুততম মানবীর খেতাব জিতেছেন। দেশের সফলতম স্প্রিন্টার শিরিন আক্তার জমজমাট লড়াইয়ে হেরে দ্বিতীয় হয়েছেন, তিনি সময় নেন ১২ দশমিক ২১ সেকেন্ড। প্রথমে শিরিনকে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফটোফিনিশিংয়ে সুমাইয়াকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। এ ফল মেনে নিতে পারেননি শিরিন। তিনি বলেন, ‘আমিই চ্যাম্পিয়ন। এ ফল আমি মেনে নিতে পারছি না।’
২০২২ সালে প্রথমবারের মতো ১০০ মিটারে সেরা হয়েছিলেন সুমাইয়া। আবার তিনি শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতলেন। মানিকগঞ্জের এ মেয়ে বলেন, ‘টাইমিংটা আমার জন্য সন্তোষজনক। দৌড় শেষে ধরে নিয়েছিলাম, আমিই প্রথম হয়েছি। ফল অন্য রকম এলে আমি চ্যালেঞ্জ করতাম। আমি এখন বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী। আপনারা দোয়া করবেন। এসএ গেমসে সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব।’










