সিলেটে আজ শনিবার বরিশালকে
১৯৪ রানের বড় টার্গেট ছুড়ে দেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। লংকান ব্যাটার আভিষ্কা ফার্নান্দোর
৯১ রানে ভর করে বড় পুঁজি গড়ে চট্টগ্রাম। জবাব দিতে নেমে বরিশাল ৭ উইকেটে ১৮৩ রান তুলতে
সমর্থ হয়। এই ম্যাচে ব্যাট, বল ও ফিল্ডিংয়ে অসামান্য অবদান রেখে সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন
আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যামফার। আজ রাতের ম্যাচে পাকিস্তানি তারকা বাবর আজমের ব্যাটিং
নৈপুন্যে দুর্দান্ত ঢাকাকে গুঁড়িয়ে দেয় রংপুর রাইডার্স।
দুপুরের ম্যাচে টস জিতে
আগে ফিল্ডিং বেছে নেয় ফরচুন বরিশাল। তিন ওভারের মধ্যে তানজিদ হাসান ও ইমরানুজ্জামানকে
সাজঘরে ফিরিয়ে অধিনায়কের এই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
যদিও পরে আভিষ্কা ও শাহাদাত হোসেনের ব্যাটে ম্যাচে ফেরে চট্টগ্রাম। এ দুজন ৫৫ বলে ৭০
রান যোগ করলে দলের সংগ্রহ একশর কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
শাহাদাত ২৯ বলে ৩১ রান
করে ইয়ান্নিক ক্যারিয়ার শিকার হন। এরপর নজিবুল্লাহ জাদরান ও কার্টিস ক্যামফারকে নিয়ে
দলের সংগ্রহ দুশর কাছাকাছি নিয়ে যান আভিষ্কা। লংকান হার্ডহিটার ৫০ বলে ৯১ রান করেন
৫টি চার ও ৭টি ছক্কার সাহায্যে। এছাড়া জাদরান ১৯ বলে ১৮ ও ক্যামফার ৯ বলে ২৯ রান করেন।
পরে আহমেদ শেহজাদ (৩৭),
মেহেদী হাসান মিরাজ (৩৫), তামিম ইকবাল (৩৩) ও মুশফিকুর রহিমের (২৩) ব্যাট লড়াই করলেও
জিততে পারেনি বরিশাল। ক্যামফার ২০ রানে চারটি ও বিলাল খান ৩৬ রানে দুটি উইকেট নেন।
ব্যাট-বলে অবদান রাখা ক্যামফার চারটি ক্যাচও নেন। আইরিশ এই অলরাউন্ডারই হয়েছেন ম্যাচসেরা
খেলোয়াড়।
রাতের ম্যাচে দুর্দান্ত
ঢাকাকে ৭৯ রানে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স। পাকিস্তানি তারকা বাবর আজমের ফিফটিতে (৪৬
বলে ৬২) ভর করে ৮ উইকেটে ১৮৩ রান তোলে রংপুর। এছাড়া আজমতুল্লাহ ওমরজাই ১৫ বলে ৩২, নুরুল
হাসান ২৪ বলে ২৬, ব্র্যান্ডন কিং ১৩ বলে ২০ ও শামীম হোসেন ৮ বলে ১৭ রান করেন। ৩২ রানে
৩ উইকেট নেন আরাফাত সানী। জবাব দিতে নেমে দুর্দান্ত ঢাকা ১৬.৩ ওভারে ১০৪ রানে গুটিয়ে
যায়। তাসকিন আহমেদ চোট পাওয়া ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড় অ্যালেক্স
রস ৩৫ বলে ৫১ রান করে হারের ব্যবধান কমিয়েছেন। শেখ মেহেদী হাসান তিনটি এবং ওমরজাই ও
হাসান মাহমুদ দুটি করে উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন বাবর আজম।










