ডানেডিনে প্রথম ওয়ানডে
ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) মেথডে ৪৪ রানে হেরেছে
বাংলাদেশ। বৃষ্টিতে ছোট হয়ে আসা ম্যাচটিতে ৩০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৩৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।
৩০ ওভারে ২৪৫ রানের সংশোধিত টার্গেটে ৯ উইকেটে ২০০ রান তুলতে সমর্থ হয় বাংলাদেশ।
উইল ইয়াং ৮৪ বলে ১০৫ ও টম
ল্যাথাম ৭৭ বলে ৯২ রান করে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেন। শরিফুল ইসলাম ২৮
রানে নেন দুটি উইকেট।
ওভারপ্রতি আটেরও বেশি রান
তোলার চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ প্রথম ওভারেই হারায় ওপেনার সৌম্য সরকারকে। এরপর
ছোট ছোট জুটিতে আশা বাঁচিয়ে রাখে বাংলাদেশ। যদিও বিশ্বকাপের মতোই কোনো জুটি বড় হয়নি
কিংবা ব্যাটাররা নিজেদের ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে ৩০ ওভারশেষে বাংলাদেশের
স্কোর বোর্ডে জমা পড়ে মাত্র ২০০ রান।
সৌম্যর বিদায়ের পর এনামুল হক
ও নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৬ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে বিচ্ছিন্ন হন। শান্ত শিকার হন স্পিনার
ইশ সোধির। এনামুল ও লিটন দাসের জুটিতে ১১.১ ওভারশেষে স্কোর দাঁড়ায় ৮০/২। তখনই
অভিষিক্ত জস ক্লার্কসনের বলে বিজয়ের বিদায়ে ফের ছন্দপতন। স্কোরটা তখন ৮০/৩। দলীয়
৯২ রানের সময় লিটনও সাজঘরের পথ ধরেন ক্লার্কসনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়ে (৯২/৪)।
বাংলাদেশ ১০০ রান পায় ৯৩
বলে। পরের ৮৭ বলে প্রয়োজন ছিল ১৪৫ রান। হাতে ৬ উইকেট। মুশফিকুর রহিম মাত্র ৪ রান
করে রাচিন রবীন্দ্র শিকার হওয়ার পর তাওহিদ হৃদয় ও আফিফ হোসেনের দারুণ এক জুটিতে
ম্যাচে টিকে থাকে বাংলাদেশ। যদিও ৩৮ বলে ৫৬ রানে শেষ হয় এই জুটি।
তাওহিদ ও আফিফের লড়াইয়ে একটি
পর্যায়ে ৪৭ বলে ৮৬ প্রয়োজন পড়ে বাংলাদেশের। তখন সোধির শিকার তাওহিদ (১৫৯/৬)। পরের
ওভারে আফিফকে সাজঘরে ফেরান জ্যাকব ডাফি (১৬৫/৭)।
তখনই জয়ের আশা প্রায় শেষ হয়। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজের ২৮ রানের ইনিংসে হারের
ব্যবধানই যা কমেছে।
বিজয় ৩৯ বলে ৪৩, আফিফ ২৮ বলে
৩৮, তাওহিদ ২৭ বলে ৩৩ ও মিরাজ ২১ বলে ২৮ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের অ্যাডাম মিলনে,
ইস শোধি ও জস ক্লার্কসন প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। হাসান মাহমুদকে আউট করে
বাংলাদেশের শেষ উইকেটটি নিয়েছেন অভিষিক্ত উইলিয়াম ও’রুর্কি। সেঞ্চুরির পর দুটি
ক্যাচ নিয়ে ম্যাচসেরা হন উইল ইয়াং।
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এ
নিয়ে ১৭টি ওয়ানডে খেলে সবগুলোতেই হারল বাংলাদেশ।
এই সফরে তিনটি ওয়ানডে ও
তিনটি টি২০ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডে ২০ ডিসেম্বর।










