অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটেছেন
নোভাক জোকোভিচ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিলেন রেকর্ড ১০ বারের
চ্যাম্পিয়ন ও ২৪ বারের গ্র্যান্ডস্লাম বিজয়ী। আজ রোববার ফ্রান্সের ২০তম বাছাই খেলোয়াড়
আদ্রিয়ান মান্নারিনোকে ৬-০, ৬-০, ৬-৩ গেমে গুঁড়িয়ে দিয়ে শেষ আটে নাম লেখান তিনি। চতুর্থ
রাউন্ডের ম্যাচটি জিততে তার সময় লেগেছে এক ঘণ্টা ৪৪ মিনিট।
মান্নারিনো তৃতীয় সেটের
দ্বিতীয় গেমটি জয়ের আগ পর্যন্ত ধরে নেয়া হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অন্যরকম এক ইতিহাস
হতে চলেছে। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে কেউই কখনো গেম না হেরে তিনটি সেট জিততে পারেননি।
আর সব মিলে গ্র্যান্ডস্লামে এমনটি ঘটেনি ১৯৯৩ সালের পর। যদিও অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া
হলো না জোকোভিচের।
জয় শেষে জোকোভিচ বললেন,
‘প্রথম দুই সেট ছিল আমার বর্তমান সময়ের সেরা পারফরম্যান্স। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত
আমি দারুণ টেনিস খেলেছি।’
শেষ আটে ১২তম বাছাই টেইলর
ফ্রিৎজের মুখোমুখি হবেন ৩৬ বছর বয়সী জোকোভিচ। আমেরিকান খেলোয়াড় ফ্রিৎজ হারান গতবারের
ফাইনালিস্ট স্তেফানোস সিসিপাসকে।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নিজের
১১তম শিরোপা জিতলেই মার্গারেট কোর্টকে পেছনে ফেলে এককভাবে সর্বোচ্চ ২৫টি গ্র্যান্ডস্লামজয়ী
খেলোয়াড় হবেন জোকোভিচ।
এদিকে, ২০০৮ সালের পর
সবচেয়ে কম বয়সী নারী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন যুক্তরাষ্ট্রের
কোকো গাফ। বর্তমান ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন আজ সরাসরি ৬-১, ৬-২ গেমে হারান পোল্যান্ডের
মাগদালেনা ফ্রেচকে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বেলারুশের আরিনা সাবালেঙ্কাও উঠেছেন শেষ আটে।
তিনি ৬-৩, ৬-২ গেমে হারান যুক্তরাষ্ট্রের আমান্ডা আনিসিমোভাকে। নিজ নিজ কোয়ার্টার ফাইনাল
জিতলেই সেমিফাইনালে দেখা হবে কোকো ও সাবালেঙ্কার।
জয় শেষে ১৯ বছর বয়সী কোকো
বলেন, ‘কখনো কখনো আমি নিজের বয়স ভুলে যাই। জানি, আমি আর দ্বিতীয়বার টিনএজার হবো না।
যখন ট্যুর পর্যায়ে ১৬ কিংবা ১৭ বছরের মেয়েদের দেখি তখন তাদের খুব তরুণ আর বয়স্ক মনে
হয়। জানি আমি ওরকম বয়স্ক নই, কিন্তু আমি নিজের বয়স ভুলে যাই।’










