জোহানেসবার্গে ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের
বিপক্ষে ১২১ বলে ১৪০ রানের রাজসিক ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ শিরোপা এনে
দেন রিকি পন্টিং। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাঠে পরের বিশ্বকাপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া আবারো
চ্যাম্পিয়ন। এবার অজিদের জয়ের নায়ক বামহাতি ব্যাটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। ১০৪ বলে
১৪৯ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে তিনি শ্রীলংকাকে ছিন্নভিন্ন করে দেশকে শিরোপার গৌরবে
ভাসান।
পন্টিং ও গিলক্রিস্টকেই যেন আজ মনে করিয়ে
দিলেন ট্রাভিস হেড। আহমেদাবাদে ১২০ বলে ১৫টি বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ১৩৭ রানের
মোহনীয় এক ইনিংস খেলে ভারতের ঘুরে দাঁড়ানোর সব আশাই তিনি শেষ করে দেন। এটা আবার
বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ ইনিংস। দুটি পন্টিং ও গিলক্রিস্টের। ১৯৫৯
আসরে ১৩৮ রান করেন ভিভ রিচার্ডস।
অথচ বিশ্বকাপের আগে ইনজুরিতে পড়ার পরও অস্ট্রেলিয়া
হেডকে দলে রেখেছিল। বিশ্বকাপে প্রথম ৫ ম্যাচ তিনি খেলতে পারেননি। হাতের চোটে পড়ার পরও
তাকে রেখে দিয়েছিল অজিরা। সেই হেডের হাত হাত ধরেই ষষ্ঠ বিশ্বকাপ মুকুট জিতল
অস্ট্রেলিয়া।
হেডকে চিনতে ভুল করেনি অস্ট্রেলিয়া। দেশের
মাঠে অ্যাশেজ অভিষেকেই ১৪৮ বলে ১৫২ রান করে ম্যাচসেরা হন। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ
ফাইনালে খেলেন ১৭৪ বলে ১৬৩ রানের ইনিংস। ফলে তিনিই ম্যাচসেরা। ভারতে বিশ্বকাপ
অভিষেকে খেলেন ৬৭ বলে ১০৯ রানের ইনিংস। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিফাইনালে বল
হাতে ২ উইকেট শিকার করার পর ও ব্যাট হাতে ৪৮ বলে ৬২ রান। ওই ম্যাচেও তিনি পান সেরা
খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
এবার ফাইনালেরও নায়ক তিনি।










