সিলেট
টেস্টে সফরকারী নিউজিল্যান্ড আজ বৃহস্পতিবার প্রথম ইনিংস শেষে ৭ রানের লিড পায়।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে টানা দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
১৩তম ওভারে আজাজ প্যাটেলের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন জাকির হাসান। টিম সাউদির
করা পরের ওভারে রানআউটের শিকার হন মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর দলকে টানেন অধিনায়ক নাজমুল
হোসেন শান্ত ও সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক। দুজনের জুটিতে স্বস্তি ফিরেছে স্বাগতিকদের
ড্রেসিংরুমে। ২ উইকেটে ১১১ রান তুলে চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। এ সময় লিড ছিল ১০৪
রানের। শান্ত ৪৮ ও মুমিনুল ৩৮ রানে ব্যাট করছিলেন।
চা-বিরতি
পর্যন্ত ২৪ ওভার ব্যাটিং করে বোর্ডে ৮৫ রান যোগ করেছেন শান্ত ও মুমিনুল।
এর
আগে স্বাগতিকদের ৩১০ রানের জবাবে কিউইরা প্রথম ইনিংসে ৩১৭ রানে অলআউট হয়।
৮
উইকেটে ২৬৬ রান তুলে নিয়ে বুধবার দ্বিতীয় দিন মাঠ ছাড়ে নিউজিল্যান্ড। কাইল জেমিসন
৭ ও টিম সাউদি ১ রানে অপরাজিত ছিলেন। পার্টনারশিপটা পঞ্চাশ (৫২) পার করেই আজ এই
দুজন থেমেছেন। জেমিসন ২৩ রান করে মুমিনুল হকের শিকার হলে জুটি ভাঙে। একই ওভারে
কিউই দলনায়ক সাউদিকেও (৩৫) ফেরান মুমিনুল। তার জোড়া আঘাতে সকালের হতাশার সমাপ্তি
ঘটে স্বাগতিকদের।
আগের
দিন সকালে বাংলাদেশ বোর্ডে কোনো রান যোগ না করেই শেষ উইকেট হারিয়ে ৩১০ রানে অলআউট
হয়ে যায়। গ্লেন ফিলিপস ৪টি উইকেট নেন। এরপর ১০০ রানের মধ্যে কিউইদের ৩ উকেটের পতন
ঘটায় বাংলাদেশ। যদিও এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে টানেন কেন উইলিয়ামসন। তাইজুল ইসলাম
ও মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণির চ্যালেঞ্জের মুখে দারুণ লড়াই করেন তিনি। তার লড়াকু
সেঞ্চুরিতে (২০৫ বলে ১০৪) ভর করেই ৮ উইকেটে ২৬৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন মাঠ ছাড়তে
পারে অতিথিরা। আজ টেল-এন্ডের চেষ্টায় তাদের সংগ্রহটা তিনশ ছাড়িয়ে যায়।
তাইজুল ১০৯ রানে ৪টি ও
মুমিনুল ৪ রানে ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া শরিফুল ইসলাম, মিরাজ ও নাঈম হাসানের শিকার
একটি করে উইকেট।










