এন্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস
স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিল
ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোববার রাতের ম্যাচে জিততে ৪ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ দুই ওভারে ১৮ রানের
প্রয়োজন পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। শাই হোপ ৯১ রানের অপরাজিত ছিলেন বলে ক্যারিবিয়ানরাও আশাবাদী
ছিল। সঙ্গে ১ রানে অপরাজিত আলজারি জোসেফ। স্যাম কারানের করা ৪৯তম ওভারেই খেলা শেষ করে
দিলেন শাই হোপ। ওই এক ওভারে তিন ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের
জয়ও নিশ্চিত করেন তিনি। শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত ৭ বল বাকি থাকতে জয় পায় স্বাগতিকরা।
এমন উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে
মারমুখী ব্যাটিংয়ে দলকে জেতানোর পর শাই হোপ কৃতিত্ব দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকে! পুরস্কার
বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলছিলেন, ‘‘খুব খুব বিখ্যাত মানুষ, এমএস ধোনি। বেশ কিছুদিন আগে
তার সঙ্গে আমার কথা হয়। তখন তিনি বলছিলেন, ‘তুমি যা ভাবো তার চেয়েও অনেক বেশি সময় পাবে।’
আমি যত বছর ধরে ওয়ানডে ম্যাচ খেলি, এই কথাটি সব সময় আমার মনে জাগ্রত থাকে।’’
জোসেফ প্রথম বলে সিঙ্গেল
নিয়ে স্ট্রাইক দেন শাই হোপকে। তিনি দ্বিতীয় বলে লং-অন দিয়ে ছক্কা মেরে ব্যবধান কমান।
তৃতীয় বলটি ডট হওয়ার চতুর্থ বলে ডিপ মিডউইকেট অঞ্চল দিয়ে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ
করেন তিনি। পঞ্চম বলে আবারো ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলনায়ক।
ওই ওভারের পরিকল্পনা নিয়ে
হোপ আরো বলেন, ‘৪৯তম ওভারে দ্বিতীয় ছক্কার পর বুঝতে পারি, আমরা ভালোভাবেই ম্যাচে আছি।
আমি সুযোগ পেলে এক ওভার আগেই ম্যাচটি শেষ করে দিতে চাই। কারো জন্য কাজ ফেলে রাখতে পছন্দ
করি না, কাজেই আমার প্রান্ত থেকেই কাজটি শেষ করতে চেয়েছি।’
৮৩ বলে ৪ বাউন্ডারি ও
৭ ছক্কায় ১০৯ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন শাই হোপ। রোমারিও শেফার্ড ২৮ বলে ৪৮ রানের
ঝড়ো ইনিংস খেলে দলের জয়ে মূল্যবান অবদান রাখেন। এছাড়া ওপেনার আলিক আথানাজ করেন ৬৫ বলে
৬৬ রান।
এদিন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের
১১তম ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ হাজার রান পূর্ণ করেছেন শাই হোপ। এতে তার লেগেছে ১১৪
ইনিংস। বাবর আজম (৯৭) ও হাশিম আমলার (১০১) পর যুগ্মভাবে তৃতীয় দ্রুততম ৫ হাজার রানের
মাইলফলকে পৌঁছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ গ্রেট ভিভ রিচার্ডস ও ভারতের বিরাট কোহলিরও লেগেছে
১১৪ ইনিংস।
বুধবার একই মাঠে সিরিজের
দ্বিতীয় ম্যাচ, ৯ ডিসেম্বর ব্রিজটাউনের সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ।










