সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ১২১ রানের টার্গেটেও ধুঁকছিল রংপুর রাইডার্স। ৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। যদিও শেষ পর্যন্ত হারেনি তারা। পাকিস্তানি-আফগান যুগলবন্দিতে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় রংপুর। বাবর আজম ৪৯ বলে ৫৬ ও আজমতুল্লাহ ওমরজাই ৩৫ বলে ৪৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে রংপুরকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। এটা দুই ম্যাচে রংপুরের প্রথম জয়। প্রথম ম্যাচে তারা হেরে যায় ফরচুন বরিশালের কাছে।

 

আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে মাশরাফি বিন মর্তুজার সিলেট। এরপর অস্ট্রেলিয়ার বেন কাটিং ও ইংল্যান্ডের বেনি হাওয়ালের ব্যাটে ভর করে লড়াইয়ের পুঁজি পায় সিলেট। দুজনই করেন সমান ৩৭ রান। রংপুরে শেখ মেহেদী হাসান ১৮ রানে ও রিপন মন্ডল ১৯ রানে দুটি করে উইকেট নেন।

 

১২০ রানের পুঁজি নিয়েও রংপুরকে সহজে জিততে দেয়নি সিলেট। প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই রনি তালুকদার, ব্র্যান্ডন কিং ও নুরুল হাসান সোহান সাজঘরে ফিরে যান। এরপর লংকান স্পিনার দুশান হেমন্তার এক ওভারেই এলোমেলো সিলেট। ইনিংসের সপ্তম ওভারে শামীম হোসেন, মোহাম্মদ নবি ও শেখ মেহেদী হাসানকে সাজঘরের পথ দেখান তিনি।

 

সিলেটের বোলারদের চমক সেখানেই শেষ। এরপর ১১.২ ওভার ব্যাট করে বোর্ডে ৮৬ রান যোগ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন বাবর ও ওমরজাই।

 

এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে উঠে যায় সাকিববিহীন রংপুর রাইডার্স।

 

আজ রাতের ম্যাচে বরিশাল ফরচুনকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬১ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। জবাবে কুমিল্লা ১ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। কুমিল্লার ম্যাথিউ ফোর্ড ৪ বলে ১৩ রান করার পর বল হাতে ৩৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা খেলোয়াড় হন।



এটা বরিশালের তিন ম্যাচে দ্বিতীয় হার, কুমিল্লার দুই ম্যাচে প্রথম জয়।

 

এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দশম বিপিএলে ঢাকার প্রথম পর্ব। পরের পর্ব সিলেটে। শুক্রবার থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিলেটে মোট ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।