গত নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক
ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মাস সেরা নারী ক্রিকেটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের
স্পিনার নাহিদা আক্তার। এবার আরেক বাংলাদেশী স্পিনারের নাম উঠল আইসিসির মাস সেরা খেলোয়াড়
হওয়ার তালিকায়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ডিসেম্বরের সেরা খেলোয়াড়ের
লড়াইয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক পেস বোলার প্যাট কামিন্স ও নিউজিল্যান্ডের
অলরাউন্ডার গ্লেন ফিলিপস।
বিশ্বকাপের পরপর দেশের
মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অনবদ্য বোলিং করেন তাইজুল ইসলাম, যা তাকে
এনে দিতে পারে আইসিসির মাস সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি। তিনি জায়গা পেয়েছেন তিনজনের সংক্ষিপ্ত
তালিকায়।
ডিসেম্বর মাসের সেরা খেলোয়াড়
হওয়ার লড়াইয়ে থাকা তিনজন করে পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারের নাম আজ সোমবার ঘোষণা করেছে আইসিসি।
মেয়েদের তালিকায় রয়েছেন ভারতের কৃতী ব্যাটার জেমিমা রদ্রিগেস, একই দেশের বোলিং অলরাউন্ডার
দীপ্তি শার্মা ও জিম্বাবুয়ের বোলার প্রেশাস মারাঙ্গে।
ছেলেদের তালিকায় এগিয়ে
রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হিসেবে অবিশ্বাস্য ১২ মাস কাটানো কামিন্স। তিনি সদ্য সমাপ্ত
টেস্ট সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে ৩-০তে হারাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। এর মধ্যে
ডিসেম্বর মাসে নেন ১৩ উইকেট। মেলবোর্নে ১০ উইকেট নিয়ে তিনি দলকে জিততে সাহায্য করেন।
এই পারফরম্যান্সই তাকে এন দিতে পারে আইসিসির মাস সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
তাইজুলও পুরস্কারের বড়
দাবিদার। কিউইদের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে ১০ উইকেট নিয়ে দলকে ১৫০ রানের ঐতিহাসিক জয় এনে
দেন তিনি। সেটি ছিল ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টেস্ট জয়। ঢাকায়
দ্বিতীয় টেস্টেও পাঁচ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা খেলোয়াড় হন ৩১ বছর বয়সী তাইজুল।
তাইজুলের সিরিজেই ব্যাট
ও বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন গ্লেন ফিলিপস। তিনিই ঢাকা টেস্টে অল্পের জন্য জয়বঞ্চিত করেন
বাংলাদেশকে। তার বীরত্বে সিরিজ ১-১-এ ড্র করতে সমর্থ হয় কিউইরা। সিলেটের বৈরি উইকেটে
ফিলিপস নেন পাঁচ উইকেট, ব্যাটেও রান পান। যদিও তার সেই প্রচেষ্টা যায় বিফলে। এরপর ঢাকা
টেস্টে দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৮৭ ও ৪০ রান করেন এবং উইকেট নেন তিনটি। ১৩৭ রান তাড়া করতে
নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল কিউইরা। সেই কঠিন সময়ে হার না মানা ৪০ রান করে ফিলিপস
জিতিয়েছেন নিউজিল্যান্ডকে।










