পাঁচ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ৮ বলে ১০ রান করতে পারল না বাংলাদেশের মেয়েরা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার দ্বিতীয় তীরে এসে তরী ডুবল স্বাগতিকদের। নিগার সুলতানা জ্যোতির দল হেরেছে ৮ রানে। মাত্র ১ রানে ও ৮ বলের ব্যবধানে শেষ ৫ উইকেটের পতন ঘটেছে বাংলাদেশের। এর আগে হারমানপ্রিত কাউরের দল ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রান তুলতে সমর্থ হয়। জবাবে ৮৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ! টানা দুই জয়ে সিরিজ নিশ্চিত হলো ভারতের।

 

৯৬ রানের টার্গেটে নেমে ১২ রানের মধ্যে দুই ওপেনার শামীমা সুলতানা  ও সাথী রানীকে হারানোর পর ধীরে ধীরে ইনিংসটা গড়ছিলেন বাংলাদেশ দলনায়ক নিগার। একটি সময় মনে হচ্ছিল, তিনি দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়বেন। কিন্তু দলের যখন ৮ বলে প্রয়োজন ১০ রান, তখন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হয়ে যান। ৫৫ বলে ৩৮ রান করেও মাথা নিঁচু করে মাঠ ছাড়েন নিগার। এরপর ষষ্ঠ বলটি হয় ডট। শেষ ওভারে ১০ রান তোলার চ্যালেঞ্জে উল্টো ৪ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। এর তিনটি নেন শেফালি ভার্মা, একজন হয়েছেন রানআউট। শেফালি ও দীপ্তি উভয়ই সমান তিনটি করে উইকেট নেন।

 

ভারতের স্পিনাররা মোট ১৯ ওভার বল করেছেন, যা টি২০ ক্রিকেটে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।  

 

এর আগে দারুন পারফর্ম করে বাংলাদেশের বোলাররা। ভারতীয় দুই ওপেনার স্মৃতি মন্ধানা ও শেফালি ভার্মা দারুন সূচনা করেন। যদিও ৩৩ রানের সময় মন্ধানা ও শেফালিকে সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশের বোলরারা। এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলেই বিদায় ঘটে অধিনায়ক হারমানপ্রিতেরও। দলের তিন সেরা ব্যাটারকে হারানোর এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি ভারত। বাংলাদেশের অফ ও লেগ স্পিনের সাঁড়াশি আক্রমণে কোনঠাসা হয়ে পড়ে অতিথি দল।

 

অফস্পিনার সুলতানা খাতুন ২১ রানে তিনটি, লেগস্পিনার ফাহিমা খাতুন ১৬ রানে দুটি, বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার নাহিদা আক্তার ১৪ রানে একটি ও ১৮ বছর বয়সী লেগস্পিনার রাবেয়া খান ১৬ রানে একটি উইকেট নেন। ভারতের শেফালি ১৯, আমানজিৎ কাউর ১৪ ও মন্ধানা ১৩ রান করেন।

 

বাংলাদেশ বোলারদের এই চেষ্টা বিফলেই গেল। ব্যাটাররা ছোট টার্গেটও ছুঁতে পারলেন না।

 

বৃহস্পতিবার একই মাঠে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। এরপর দুই দল তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মুখোমুখি হবে।