দিনের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। প্রথম ১৭ বলে ২৬ রান তুলে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান। তবে তৃতীয় ওভারে আউট হন তানজিদ। ৯ বলে ১০ রান করেন তিনি। দলীয় ২৬ রানে তানজিদ ফেরার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সাইফও। ১৪ বলে ২০ রান করে ফেরেন সাইফ। এরপর মিডল অর্ডার ব্যাটারদের বড় ইনিংস খেলতে দেননি অস্ট্রেলিয়ার দুই স্পিনার এডাম জাম্পা ও জোয়েল ডেভিস। সৌম্য সরকার ১৭ রানে ও অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ৮ রানে বিদায় নেন। ১০ রান করে ডেভিসের শিকার হন পারভেজ হোসেন ইমন ও অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার সাকলাইন। পরের দিকে শামিম হোসেন ১, রিশাদ হোসেন ৩ এবং শরিফুল ইসলাম ৭ রানে থামলে ১০৮ রানে নবম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

শেষ উইকেটে মেহেদী হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমানের ১২ বলে ২৩ রানের জুটির সুবাদে ১৩১ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

জবাব দিতে নেমে তৃতীয় ওভারে উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার জশ ইংলিশকে ৫ রানে বোল্ড করেন পেসার শরিফুল। তিনে মাঠে আসা কুপার কনোলিকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ১৬ বলে ২৫ রান তুলে ভেঙে যায় এ জুটি। ১৩ রান করা মার্শের উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান।

৪টি চার ও ৩টি ছক্কার মারমুখী ইনিংস খেলে ২৭ বলে ৪৭ রান করে সাকলাইনের শিকারে পরিণত হন কনোলি। এরপর সতীর্থদের সঙ্গে তিন জুটিতে ৫১ রান তুলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথ সহজ করেন রেনশ। এর মাঝে ডেভিড ২০, রেনশ ও অভিষিক্ত নিখিল চৌধুরী সমান ১৮ রান করে আউট হলেও জয় পেতে সমস্যা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ম্যাচসেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এডাম জাম্পা।