জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক হিথ স্ট্রিক ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যুদ্ধে হেরে গেছেন বলে জানিয়েছেন তার একসময়ের সতীর্থ হেনরি ওলঙ্গা। ঘণ্টাখানেক যেতেই ওলঙ্গাই আবার নিশ্চিত করেন, স্ট্রিকের মৃত্যুর খবর মিথ্যা রটনা ছাড়া আর কিছুই নয়। সাবেক অধিনায়কের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশটও দেন তিনি। এদিকে, নিজের মৃত্যুর খবর শুনে হতাশ হয়েছেন বলেভারতীয় পত্রিকা মিড ডে’কে জানিয়েছেন হিথ স্ট্রিক।
জানা যায়, গত মে মাসে জানা যায়, লিভার ও কোলন ক্যান্সারের সাথে লড়ছেন স্টিক। গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে একটি হাসপাতালে ক্যান্সারের চিকিৎসা করাচ্ছেন তিনি। আজ সারা বি্শ্বের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে মারা গেছেন স্ট্রিক। এমন খবরে শোকাহত হয়ে ক্রিকেট বিশ্ব।
স্ট্রিকের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে জিম্বাবুয়ের সাবেক পেসার হেনরি ওলোঙ্গা লিখেন, ‘খারাপ খবর পেলাম, হিথ স্ট্রিক অন্য ভুবনে চলে গেছে।’ কিন্তু পরবর্তীতে ওলেঙ্গাই ফের জানিয়েছেন, স্ট্রিক বেঁচে আছেন। তিনি লিখেন, ‘আমি নিশ্চিত করতে পারছি, হিথ স্ট্রিকের মৃত্যুর যে খবর প্রকাশ হয়েছে তা পুরোপুরি মিথ্যে। মাত্রই আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। স্ট্রিকের সাথে কথোপকথনের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোডও করেন ওলেঙ্গা। সেখানে স্ট্রিক লিখেন, ‘আমি পুরোপুরি বেঁচে আছি।
এদিকে, ভারতীয় পত্রিকা মিড ডে’কে বেঁচে আছেন বলে জানান স্ট্রিক। তিনি বলেন, ‘এটা গুজব। আমি জীবিত ও ভালোই আছি। এমন খবর শুনে হতাশ হয়েছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এ যুগে এমন খবর কারো কাছ থেকে নিশ্চিত না হয়েই ছড়িয়ে দেয়া হয়। আমার মনে হয়, গুজবের খবর যারা ছড়িয়েছে, তার ক্ষমা চাওয়া উচিত।’
১৯৯৩ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় স্ট্রিকের। দেশের হয়ে ৬৫টি টেস্টে ২১৬ উইকেট ও ১৯৯০ রান এবং ১৮৯টি ওয়ানডেতে ২৩৯ উইকেট ও ২৯৪৩ রান করেন তিনি। ২১টি টেস্ট এবং ৬৮টি ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্বও দিয়েছেন স্ট্রিক। ২০০৫ সালে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন তিনি। এরপর কোচিং পেশায় জড়িয়ে যান স্ট্রিক। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচের দায়িত্বও পালন করেন ৪৯ বছর বয়সী স্ট্রিক।










