পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে অলআউট করার পর শনিবার বিনা উইকেটে ১০ রান তুলে নেয় বাংলাদেশ। যদিও আজ রোববার রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের তৃতীয় দিন সকালে খুররম শাহজাদ ও মির হামজার আগুণে বোলিংয়ে মুখে দলীয় ২৬ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। বিপর্যয়ের পর দলকে টানছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস। দুজনই করেছেন ফিফটি। এ প্রতিবেদন লেখার সময় ৪২.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। লিটন ৫৭ ও মিরাজ ৬২ রানে ব্যাট করছিলেন। তখনো ১২৪ রানে পিছিয়ে ছিল টাইগাররা।

 

একটি পর্যায়ে টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের ইনিংস চোখ রাঙাচ্ছিল বাংলাদেশকে। সেই সঙ্গে ফলো-অনও। যদিও লিটন ও মিরাজের ব্যাটে সেই লজ্জা এড়াতে পেরেছে দল। টেস্টে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন ইনিংস ৪৩ রানের। ২০১৮ সালে অ্যান্টিগায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এত কম রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।

 

আজ সকালে ভয়ংকর এক স্পেলে ৬ ওভার বোলিং করে ১৪ রান দিয়ে চার উইকেট শিকার করেন খুররম। তিনি আউট করেন জাকির হাসান, সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাকিব আল হাসানকে। এছাড়া মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুলকে শিকারে পরিণত করেন আরেক পেসার মির হামজা। তিনি প্রথম স্পেলে ৭ ওভার বল করে ২৪ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন।

 

সকালে পাকিস্তানি পেস বোলাররা দাপট দেখালেও পরে ব্যাট হাতে কর্তৃত্ব করছিলেন লিটন ও মিরাজ। শুরুতে মিরাজ দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তিনি কিছুটা রক্ষণাত্বক খেলা শুরু করেন। তার ৩৩ রানের সময় লিটনের ১৩ রান থাকলেও একটি পর্যায়ে লিটনই আগে ফিফটি পূর্ণ করেন। এটা লিটনের ১৮তম টেস্ট ফিফটি। তার একটু পরই ফিফটি পূর্ণ করেন মিরাজ।

 

দ্বিতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে দেশের বাইরে এক টেস্টে ৫ উইকেট ও ফিফটি পেলেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে তিনি ৬১ রানে ৫ উইকেট নেন। তিনি ছাড়া দুবার এমন কীর্তি আছে সাকিব আল হাসানের। দুটোই ওয়েস্ট ইন্ডিজর মাটিতে। প্রথমটি ২০০৯ সালে, অন্যটি ২০১৮ সালে। সব মিলিয়ে সাকিব এই কীর্তি গড়েছেন আটবার। মিরাজ করেছেন দুইবার।