সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে আজ রোববার জীবন
বাজির ম্যাচে মালদ্বীপকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টিকে থাকল বাংলাদেশ। বেঙ্গালুরুর
শ্রী কান্তীরাভা স্টেডিয়ামে জামাল ভূঁইয়ার দল জিতেছে ৩-১ গোলের ব্যবধানে। সাফ
চ্যাম্পিয়নশিপে ২০ বছর পর মালদ্বীপকে হারাতে পারল লাল সবুজরা।
দারুণ ফুটবল খেলে আজ জিতেছে বাংলাদেশ। ১১
মিনিটে হামজা মোহামেদের গোলে লিড নেয় মালদ্বীপ। কিন্তু বাংলাদেশ প্রবল বিক্রমে
ফিরে আসে। ৪২ মিনিটে রাকিব হোসেনের গোলে সমতা আনে বাংলাদেশ। তপু বর্মনের অ্যাসিস্ট
থেকে হেডে গোলটি করেন তিনি। ৬৭ মিনিটে তারিক কাজীর হেডের গোল এগিয়ে দেয়
বাংলাদেশকে। ৭১ মিনিটে গোলমুখে দাঁড়িয়ে হেড নিলেও গোল করতে পারেননি তপু বর্মন। ৯০
মিনিটে বিশ্বজিত ঘোষের পাস থেকে শেখ মোরসালিন দেশের জয় নিশ্চিত করে ফেলেন (৩-১)।
প্রথম ম্যাচে লেবাননের কাছে পরাজিত বাংলাদেশের
জন্য সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে। আজ হারলেই বিদায় নিতে হতো। কঠিন সমীকরণের এই ম্যাচে দারুণ
এক জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ থেকে
বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। মালদ্বীপেরও সমান ৩ পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে
দুইয়ে অবস্থান করছে লাল-সবুজরা।
আজ রাতে ‘বি’ গ্রুপের আরেক ম্যাচে অতিথি
দল লেবাননের মুখোমুখি হবে ভুটান। ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৮টায়।
২৮ জুন বুধবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ
ম্যাচে ভুটানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেদিন লেবাননের বিপক্ষে খেলবে মালদ্বীপ। বাংলাদেশের
জন্য সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ হলো—নিজেদের জয়ের পাশাপাশি লেবাননের কাছে হারতে হবে
মালদ্বীপকে।
মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। ১৬ বারের মুখোমুখিতে
বাংলাদেশ সাতবার জিতল, মালদ্বীপ জিতেছে ছয় ম্যাচে, ড্র হয়েছে বাকি তিন ম্যাচ।
২০০৩ সালে ঘরের মাঠে সাফ জয় করে
বাংলাদেশ। ওই আসরে দুবারের দেখায়ই মালদ্বীপকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর মালদ্বীপের
আধিপত্যের শুরু। ২০১১ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পরবর্তী ছয়বারের দেখায় পাঁচবারই
জিতেছে তারা, বাংলাদেশ জিতেছে একটি। অবশেষে সাফে মালদ্বীপকে হারের স্বাদ দিতে পারল
বাংলাদেশ।










