সিলেট টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে
১৫০ রানের বড় ব্যবেধানে হারায় বাংলাদেশ। ৩৩২ রানের টার্গেটে নেমে ১৮১ রানে অলআউট কিউইরা।
প্রথম ইনিংসে সমানতালে লড়াই হলেও দুই দলের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয় দ্বিতীয় ইনিংসে। নাজমুল
হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে প্রতিপক্ষকে তিনশোর্ধ্ব রানের টার্গেট দিতে সমর্থ হয় স্বাগতিকরা।
এরপর তাইজুল ইসলামের ৬ উইকেটে ভর করে দাপটে জয় তুলে নেয় টাইগাররা। নিউজিল্যান্ডের স্পিনার
ইস সোধি মনে করেন, সিলেটে বাংলাদেশ তাদের উড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আশাবাদী, মিরপুরে দ্বিতীয়
টেস্টে তারা ঘুরে দাঁড়াবেন।
আজ সোমবার মিরপুরে অনুশীলনের
ফাঁকে তিনি এ কথা বলেন। বুধবার শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু
হবে।
ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে তিনি
বলেন, ‘ঘুরে দাঁড়ানোর কাজটি সবসময়ই কঠিন। তবে ম্যাচ হারলেও অভিজ্ঞ অনেকেই এই দলে আছে।
আগেও আমরা এই অবস্থানে ছিলাম, এই কাজটা করেছি। আমরা জানি পরের ম্যাচে কীভাবে নিজেদের
মেলে ধরতে হবে এবং আশা করি, পরের ম্যাচে তা করতে পারব। ছেলেরা সবাই দারুণ উজ্জীবিত।
ছেলেরা তাই দারুণ অনুপ্রাণিত। আশা করি, বিদায় নেয়ার আগে আমরা নিজেদেরই কিছু উপহার দিতে
পারব।’
সোধি বলেন, ‘সিলেটে প্রথম
টেস্টে হেরে যাওয়া দলে থাকাটা অবশ্যই বেশ কঠিন ছিল। তবে টেস্ট যতই এগিয়েছে, আমরা ততই
ছন্দ খুঁজে পেয়েছি। দীর্ঘদিন ধরে টেস্ট না খেলার পর এই কন্ডিশনে খেলাটা কঠিন হতোই এবং
বাংলাদেশ যেভাবে খেলেছে, সত্যি বলতে আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে ওরা। তবে পেছন ফিরে তাকিয়ে,
এই ম্যাচই আমাদের একটা ব্লুপ্রিন্ট দিয়েছে এই কন্ডিশনে সফল হওয়ার ব্যাপারে। আশা করি,
আমরা সেসব পরের ম্যাচে মেলে ধরতে পারব।’
সোধির আত্মবিশ্বাসী হওয়ার
যথেষ্ট কারণও আছে। বিশ্বকাপের আগে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে
৩৯ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবার সাদা জার্সিতেও তাকে
প্রেরণা দিচ্ছে সেই পারফরম্যান্স। তিনি বলেন, ‘যে কন্ডিশনে আগে সাফল্য পেয়েছি, সেখানে
এরকম একটি ম্যাচ খেলতে নামার আগে অবশ্যই বাড়তি আত্মবিশ্বাস কাজ করে। এখানে ব্যাপারটি
হলো নিজেদের মেলে ধরার, কন্ডিশন যতট সম্ভব বোঝার যে টার্ন করবে কি না। যদি না করে,
আগ্রাসন আর রক্ষণের দিক থেকে কেমন করা যায়। দ্বিতীয় টেস্টের সম্ভাবনার দিকে তাই তাকিয়ে
আছি। তার আগে দুই দিনের কঠোর অনুশীলন সেশন তো আছেই।’










