টেস্টে নিজের একাদশ সেঞ্চুরি করে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকে দারুণ এক অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম। এ প্রতিবেদন লেখার সময় আজ শনিবার চতুর্থ দিন প্রথম ইনিংসে প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১১৭ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৮৯ রান। মুশফিক ২০৮ বলে ১০১ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৪ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থেকে মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতিতে যান। ৫৯ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তান ৬ উইকেটে ৪৪৮ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে।

 

আজ সকালে লিটন দাসের বিদায়ে মুশফিকের সঙ্গে তার শতরানের জুটি ভাঙে। কাট করতে গিয়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে ধরা পড়লেন বাংলাদেশে উইকেটকিপার-ব‍্যাটর। তাকে শিকারে পরিণত করেন নাসিম শাহ। এই পেসারের ডেলিভারি একটু বাড়তি বাউন্স করেছিল। তবু কাট করতে যান লিটন। বল ব‍্যাটের কানায় লেগে যায় রিজওয়ানের গ্লাভসে জমা পড়ে। এতে ভেঙে যায় দুজনের ১৭১ বলের ১১৪ রানের জুটি।

 

৫৮ বলে ৫২ রান নিয়ে দিন শুরু করা লিটন ৭৮ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তার বিদায়ের অতিথিদের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৩২ রান। তখন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ১১৬ রানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে সেই ব্যবধান কমিয়েছেন মুশফিক। তিনি ঠিক ২০০ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন।

 

টেস্টে এর আগে ১০টি সেঞ্চুরি করেন মুশফিক, যার মধ্যে তিনটিই ডাবল সেঞ্চুরি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০১৮ সালে ২১৯ ও একই মাঠে ২০২০ সালে ২০৩ রান করেন তিনি। ২০১৩ সালে গলে শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলেছিলেন ২০০ রানের ইনিংস।

 

বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ১২টি সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল হক সৌরভ।