রাওয়ালপিন্ডিতে ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। সেই টেস্টে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন মুমিনুল হক, তামিম ইকবালরা। হার জুটেছিল ইনিংস ও ৪৪ রানে। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে বুধবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। চার বছর আগের সেই বাংলাদেশ দল আর এখনকার দলে অবশ্য অনেক পরিবর্তন। নেতৃত্বে যেমন পরিবর্তন এসেছে, তেমনি স্কোয়াডেও। এবার ভিন্ন ফলের আশায় মাঠে নামছেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। যদিও পাকিস্তানের গতি বোলারদের সামনে তারা পড়বেন কঠিন পরীক্ষার মুখে।   

 

বাংলাদেশের সঙ্গে টেস্টে পাকিস্তান অবশ্য এখন পর্যন্ত অজেয়। ১৩টি টেস্ট খেলে ১২টিই তারা জিতেছে। বাংলাদেশের অর্জন বলতে একটি ড্র শুধু। ২০১৫ সালে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের সঙ্গে ড্র করেছিল মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। পাকিস্তানের ১২ জয়ের মধ্যে ছয়টিই ছিল ইনিংস ব্যবধানে।

 

২০২০ সালে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পাকিস্তানের গতির তোড়ে লন্ডভণ্ড হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। প্রথম ইনিংসে ২৩৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৮ রানে গুটিয়ে যায় অতিথিরা। নাসিম শাহ দুই ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন। এছাড়া শাহিন শাহ আফ্রিদি ৫টি ও মোহাম্মদ আব্বাস নেন ৩টি উইকেট। বাবর আজম (১৪৩) ও শান মাসুদের (১০০) জোড়া সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৪৪৫ রান তোলে পাকিস্তান। এই রানই যথেষ্ট ছিল স্বাগতিকদের জন্য।

 

সেই একই মাঠে এবারও ভয়ংকর পেস আক্রমণ ব্রিগেড নিয়ে নামছে পাকিস্তান। সেই শাহিন ও নাসিম তো আছেনই, সঙ্গে যোগ হয়েছেন খুররম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আলী। স্কোয়াডে থাকা একমাত্র স্পিনার আবরার আহমেদকে রাখা হয়নি একাদশে। তাকে ইসলামাবাদে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বিপক্ষে চলমান পাকিস্তান ‘এ’ দলের ম্যাচ খেলতে পাঠানো হয়েছে।   

 

চার পেসার নিয়ে মাঠে নামা পাকিস্তান এবারও যে বাংলাদেশকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে, সেটি বলাই বাহুল্য।