ইউরো ফাইনালে রোববার টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষায় ইতালির কাছে ২-৩ গোলে হার মানল ইংল্যান্ড। তাতে ৫৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হলো না ইংলিশদের। তাদের হারিয়ে ইউরোয় নিজেদের দ্বিতীয় মুকুট জিতে নিল ইতালি।   

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেন ইংল্যান্ডের লুক শ। ৬৭ মিনিটে লিওনার্দো বোনুচ্চি ইতালির হয়ে সমতা আনেন। এরপর আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ১-১ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ের খেলায়। সেখানে কোনো দলই গোল করতে না পারায় শিরোপার মীমাংসা হয় টাইব্রেকারে, যাতে শেষ হাসি হাসে আজ্জুরিরা। 

এর আগে ২০১২ সালের ইউরোয় কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে ইতালির কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড। আর ফাইনালে ইতালি হেরে যায় স্পেনের কাছে। ২০০০ ইউরোর ফাইনালে ইতালি হেরে যায় ফ্রান্সের কাছে। অবশেষে শিরোপার স্বাদ পেল আজ্জুরিরা। 

রোববার মধ্যরাতে টাইব্রেকারে হারের পর ইংল্যান্ডের কোচ গ্যারেথ সাউথগেট বলেছেন, ফাইনালে পরাজয় আসলে ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’। যদিও তিনি খেলোয়াড়দের পাশেই থাকছেন। তিনি বলেছেন, তার খেলোয়াড়রা সম্ভাব্য সবকিছুই করেছেন। এ কোচের কথায়, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। তারা জাতিকে অবিস্মরণীয় কিছু মুহূর্ত এনে দিয়েছে। 

অধিনায়ক হ্যারি কেন বলেছেন, এই হার তাকে ক্যারিয়ারের বাকিটা সময় ব্যথা দিয়ে যাবে। টটেনহাম তারকার কথায়, যা অর্জন করেছি তাতে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু দিতে পারতাম না, ছেলেরাও না। পরাজিত হলে পেনাল্টিই হয় পৃথিবীতে সবচেয়ে বাজে অনুভুতির। এটা আমাদের রাত ছিল না। তবে আমরা অবিশ^াস্য একটি টুর্নামেন্ট খেলেছি এবং আমার মাথা উঁচু রাখা উচিত।