টোকিও অলিম্পিক গেমসের নারী আর্চারির দলগত ইভেন্টে স্বর্ণ জিতে নিল দক্ষিণ কোরিয়া। তাদের এ স্বর্ণ জয় কোনো চমক নয়, বরং ফেভারিট হিসেবেই তারা জিতেছে। ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক থেকে এই ইভেন্টটিতে অপরাজিত দক্ষিণ কোরিয়া!
১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে আর্চারির যাত্রা। কোরিয়ানদের রূপকথারও সেই শুরু। এরপর টানা ৯ অলিম্পিকে কোরিয়ান নারীরা কোনো ম্যাচও হারেনি! মাঝের এই সময়ে এসেছে ৯টি অলিম্পিক স্বর্ণ। ইতিহাস ও ফর্ম সবকিছুর বিচারে আজ ইউমেনোশিমা পার্কে তারাই ছিল শিরোপার ফেভারিট। কোরিয়ান লাস্যময়ীরাই হাসল শেষ হাসি।
আগের দিন মিশ্র দ্বৈতে স্বর্ণ জয় করা অ্যান সানের নেতৃত্বে আজ নারী দলগত ইভেন্টে ফাইনাল খেলতে নামা কোরিয়ানরা ৬-০ ব্যবধানে হারিয়েছে রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটি টিমকে। এ পথে ১৯৯৬ আটালান্টা অলিম্পিকের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন ২০ বছর বয়সী কোরিয়ান শুটার অ্যান সান। তিনি আজ স্কোর করেছেন ৬৮০।
এটা অ্যান সানের দ্বিতীয় অলিম্পিক স্বর্ণ। ঐতিহাসিক এই জয় শেষে তিনি বলেন, আমি ভীষণ সম্মান আর গৌরব বোধ করছি। আমি অনেক খুশি।
‘ইনভিনসিবল’ কোরিয়ান দলের বাকি দুই সদস্য হলেন জ্যাং মিনহি ও ক্যাং চায়েইয়াং। সেমিফাইনালে বেলারুশকে ৫-১-এ হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পায় দক্ষিণ কোরিয়া। এরপর শিরোপার লড়াইয়ে রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটি টিমের সভেতলানা গমবোয়েকা, এলেনা ওসিপোভা ও সেনিয়া পেরোভাকে হারান তিন কোরিয়ান। ব্রোঞ্জ ম্যাচে বেলারুশকে ৫-১ এ হারায় জার্মানি।
আগের দিন কিম জে দেওককে নিয়ে মিশ্র দ্বৈতে স্বর্ণ জয় করেন অ্যান সান। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে তারা শেষ ষোলোয় হারিয়েছিলেন বাংলাদেশের রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী জুটিকে।










