কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন চতুর্থ মেয়াদে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন। এ নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে হাওয়ায় ভাসছে নানা গুঞ্জন।

এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে বাফুফে নির্বাচন। ২০০৮ সালে প্রথম ক্ষমতায় আসেন সালাউদ্দিন। ২০১২ ও ২০১৬ সালের নির্বাচনেও তিনি এ পদে নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম আবাহনীর কর্মকর্তা তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমীন সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও সম্প্রতি তিনি সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। তারপর থেকেই হাওয়ায় নানা গুঞ্জন ভাসছে।

গুঞ্জন আছে বসুন্ধরা কিংস সভাপতি ইমরুল হাসানকে সহসভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেবে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন পরিষদ। এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে ইমরুল হাসান হ্যাঁ-সূচক উত্তরও দেননি, আবার সে সম্ভাবনা উড়িয়েও দেননি।

বসুন্ধরা কিংস সভাপতিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনাকে একটি পরিষদের সহসভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হবে এমনটা শোনা যাচ্ছে। এমন প্রস্তাব এলে আপনি কি নির্বাচনী মাঠে থাকবেন? উত্তরে প্রথমে হেসে তিনি বলেন, ‘তাই নাকি? আগে তো প্রস্তাব আসুক। কারা প্রস্তাব দিল, তাদের পরিষদে কারা থাকবেন—এসব আগে দেখতে হবে। তারপর সে প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে।’

তরফদার রুহুল আমীন সিদ্ধান্ত বদলানোয় দৃশ্যত কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দেখা যাচ্ছে না। সাবেক ফুটবলার বাদল রায় সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন—কোনো প্রার্থী না থাকলে আমিই সভাপতি পদে নির্বাচন করব। ফাঁকা মাঠে গোল করার সুযোগ দেব না।

২০১৬ সালের নির্বাচনে সালাউদ্দিনের পরিষদ থেকে সহসভাপতি নির্বাচিত হন বাদল রায়। গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেই স্থানীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন তিনি। ওই অবস্থায় বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেন বাদল রায়।