ক্যারিয়ারের একাদশ টেস্ট
সেঞ্চুরি করে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকে লিড এনে দিলেন মুশফিকুর
রহিম। এ প্রতিবেদন লেখার সময় আজ শনিবার চতুর্থ দিন দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের সংগ্রহ
ছিল ১৩৭ ওভারে ৬ উইকেটে ৪৫০ রান। মুশফিক ২৭১ বলে ১৩৯ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১০২ বলে
৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। লিড ছিল ২ রানের। এর আগে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ৪৪৮ রান তুলে প্রথম
ইনিংস ঘোষণা করে।
মুশফিক ও মিরাজের ১২৮
রানের জুটিতে দলের সংগ্রহ চারে চারশ পেরিয়ে যায়।
এটাই পাকিস্তানের মাঠে
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৩৬১, যা ২০০৩ সালে পেশোয়ার
টেস্টে করেছিল টাইগাররা। সব মিলে, পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ
৫৫৫/৬। খুলনায় ২০১৩ সালে তামিম ইকবালের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে ওই রান তুলেছিল বাংলাদেশ।
আজ সকালে লিটন দাসের বিদায়ে
মুশফিকের সঙ্গে তার শতরানের জুটি ভাঙে। কাট করতে গিয়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের
গ্লাভসে ধরা পড়লেন বাংলাদেশে উইকেটকিপার-ব্যাটর। তাকে শিকারে পরিণত করেন নাসিম শাহ।
এই পেসারের ডেলিভারি একটু বাড়তি বাউন্স করেছিল। তবু কাট করতে যান লিটন। বল ব্যাটের
কানায় লেগে যায় রিজওয়ানের গ্লাভসে জমা পড়ে। এতে ভেঙে যায় দুজনের ১৭১ বলের ১১৪ রানের
জুটি।
৫৮ বলে ৫২ রান নিয়ে দিন
শুরু করা লিটন ৭৮ বলে ৮ চার ও ১ ছক্কায় ৫৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তার বিদায়ের অতিথিদের
সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৩২ রান। তখন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ১১৬ রানে পিছিয়ে
ছিল বাংলাদেশ। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে সেই ব্যবধান কমিয়েছেন মুশফিক। তিনি ঠিক
২০০ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন।
টেস্টে এর আগে ১০টি সেঞ্চুরি
করেন মুশফিক, যার মধ্যে তিনটিই ডাবল সেঞ্চুরি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০১৮ সালে ২১৯ ও
একই মাঠে ২০২০ সালে ২০৩ রান করেন তিনি। ২০১৩ সালে গলে শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলেছিলেন
২০০ রানের ইনিংস। এটি মুশফিকের একাদশ ও বাংলাদেশে ইতিহাসে ৮০তম টেস্ট সেঞ্চুরি। পাকিস্তানের
বিপক্ষে এটি সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি ও পাকিস্তানের মাঠে তৃতীয়।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে
সর্বোচ্চ ১২টি সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল হক সৌরভ।










