রস টেলর ও কেন উইলিয়ামসনের না থাকাটা নিউজিল্যান্ডের মাঠে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ের ক্ষেত্রে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছিল সফরকারী বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম ওয়ানডেতে অন্তত সমীকরণটি মিলল না টাইগারদের। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান না থাকলেও নিউজিল্যান্ডের চিরাচরিত পেসস্বর্গে তাদের পেসাররা তো ছিলেন! সেই পেসেই ধরাশায়ী হল তামিম ইকবালের বাহিনী।
শনিবার সকালে ডুনেডিন ইউনিভার্সিটি ওভালে স্বাগতিকদের কাছে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি, কাইল জেমিসনদের ভয়ংকর গতি বলের সামনে ৪১ দশমিক ৫ ওভার টিকে থেকে ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। অতিথি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ত্রাস ছড়িয়েছেন বোল্ট। তিনি ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলের জয়ের নায়ক। এছাড়া নিশাম ২৭ রানে ২টি ও হেনরি ২৬ রানে ১টি উইকেট নেন। অর্থোডক্স স্পিনার মিচেল স্যান্টনার ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন। উইকেট না পেলেও ৮ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়ে অতিথি দলকে ভীষণ চাপে রাখেন জেমিসন।
বাংলাদেশ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। তাও স্ট্রাইক রেট মাত্র ৫০! অর্থ্যাৎ এই রান করতে তিনি খেলেছেন ৫৪টি বল। এছাড়া মুশফিকুর রহিম ৪৯ বলে ২৩, লিটন দাস ৩৬ বলে ১৯ রান করেন।
ছোট্ট টার্গেট তাড়া করতে নেমে মাত্র ২১ দশমিক ২ ওভারেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। হেনরি নিকোলস ৫৩ বলে ৪৯ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে নিউজিল্যান্ডকে নির্বিঘেœ জয় এনে দেন। তার সঙ্গে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন উইল ইয়াং। আউট হয়েছেন শুধু মার্টিন গাপটিল (৩৮) ও ডেভন কনওয়ে (২৭) রান করেন। একটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ।
অনবদ্য বোলিং করে বাংলাদেশকে ধসিয়ে দেয়া ট্রেন্ট বোল্ট পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
এ জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। ২২ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ম্যাচ। এরপর ২৬ মার্চ ওয়েলিংটনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ। ওয়ানডে সিরিজ শেষে তিন ম্যাচের টি২০ সিরিজে মুখোমুখি তবে দুটি দল।










