১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৪ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। তাতে ম্যাচটি টাই হয়ে যায়। এরপর প্রথম সুপার ওভার টাই। শেষমেশ দ্বিতীয় সুপার ওভারে এলো ফল। নাটকীয় ম্যাচে শেষ হাসি হাসল দক্ষিণ আফ্রিকা। আফগানিস্তানকে সুপার ওভারে ৪ রানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা।

আহমেদাবাদে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রায়ান রিকেলটন আর কুইন্টন ডি ককের জোড়া ফিফটিতে ১৮৭ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়ায় জয়ের পথে ছিল আফগানিস্তানও। তবে শেষদিকে টানা উইকেট হারিয়ে কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে আফগানরা। শেষ ওভারে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩। হাতে ছিল এক উইকেট।

বোলিং প্রান্তে ছিলেন রাবাদার মতো অভিজ্ঞ পেসার। প্রথম ডেলিভারিটিই করলেন নো, পরের ডেলিভারি ওয়াইড! এরপর আরও একটি নো বল করেন। চতুর্থ বৈধ বলে ফজলহক ফারুকি রান আউটের ফাঁদে পড়লে ম্যাচ টাই হয়ে যায়। ১৯.৪ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান।

সুপার ওভারে ব্যাটিংয়ে আসেন আফগানিস্তানের দুই ব্যাটার আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। বোলিংয়ে ছিলেন লুঙ্গি এনগিদি। প্রথম দুই বলেই দুই বাউন্ডারি হাঁকান ওমরজাই। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চারের পরের বলে ছক্কার মার। পরের দুই বলে দুটি সিঙ্গেলস। পঞ্চম বলে আরেকটি বাউন্ডারি পেলেন ওমরজাই। শেষ বলে এক রানের বেশি নিতে পারেননি। তাতে স্কোরবোর্ডে ১৭ রান দাঁড় করায় তারা।

প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাটিংয়ে ছিলেন ডেভিড মিলার ও ডেভাল্ড ব্রেভিস। বোলিংয়ে ফজলহক ফারুকি। প্রথম বলে সিঙ্গেল নেন মিলার। দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে পরের বলেই আউট হন ব্রেভিস। শেষ বলে জয়ের জন্য সাত রানের দরকার ছিল প্রোটিয়াদের। ছক্কা হাঁকিয়ে টাই করেন স্টাবস।

দ্বিতীয় সুপার ওভারে ঝড় তোলেন প্রোটিয়া দুই ব্যাটার ডেভিড মিলার ও ত্রিস্টান স্টাবস। তিন ছক্কার মারে ২৩ রানের বড় পুঁজি গড়েন তারা। আফগানিস্তানের জয়ের জন্য লক্ষ্যটা দাঁড়ায় ২৪। মোহাম্মদ নবী দুই বল খেলে সাজঘরে ফিরলে ম্যাচ অনেকটাই প্রোটিয়াদের দিকে হেলে যায়। পরের তিন বলে তিন ছক্কা হাঁকিয়ে আবারও জমিয়ে দেন গুরবাজ। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান। কেশব মহারাজের ওয়াইডে আরও নাটকীয় রূপ নেয় ম্যাচ। শেষ বলে ক্যাচ আউট হন গুরবাজ। তাতে লড়াই থামে আফগানদের। ৪ রানের জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা।