ছয়টি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে নেপাল, ভুটান ও শ্রীলংকা এবং ‘বি’ গ্রুপে ভারত, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ। গতকাল গোয়ায় অংশগ্রহণকারী ছয় দলের অধিনায়করা ট্রফি নিয়ে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানান।

আজ শুরুর দিনে থাকছে দুটি ম্যাচ। মারগাওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভুটান ও নেপাল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায়। একই মাঠে রাত ৮টায় ‘বি’ গ্রুপ ম্যাচে স্বাগতিক ভারত খেলবে মালদ্বীপের বিপক্ষে।

বাংলাদেশের সাফ শিরোপা রক্ষা মিশন শুরু হবে ২৮ মে রাতে। সেদিন মালদ্বীপের মুখোমুখি হবেন লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ৩১ মে তাদের প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ও স্বাগতিক ভারত। এবারের আসরে মিডফিল্ডার মারিয়া মান্দার নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ। গতকাল বাংলাদেশ অধিনায়ক হিসেবে ফটোসেশন ও সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন ময়মনসিংহের কলসিন্দুর থেকে উঠে আসা এ খেলোয়াড়।

৩১ মে গ্রুপ পর্ব শেষে ৩ জুন দুই সেমিফাইনাল ও ৫ জুন ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আসরের। প্রতি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালে উঠবে। সেমিফাইনাল ও ফাইনালে স্বাভাবিক সময়ে খেলা শেষ না হলে অতিরিক্তি সময়ের খেলা হবে, তাতেও মীমাংসা না হলে থাকবে পেনাল্টি শুটআউট।

২০১০ সালে শুরু হয় মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। শুরু থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ আসরে শিরোপা জয় করে ভারত। এর মধ্যে চারবার নেপালকে ও একবার বাংলাদেশকে ফাইনালে হারায় ভারত। ভারতের আধিপত্য খর্ব করে ২০২২ সালে সাফ মুকুট জিতে নেয় বাংলাদেশ। কাঠমান্ডু ফাইনালে সাবিনা খাতুনরা হারান স্বাগতিক নেপালকে। ২০২৪ সালে একই দেশে একই প্রতিপক্ষকে ফাইনালে হারিয়ে আবারো সাফ শ্রেষ্ঠত্ব পায় লাল-সবুজরা। পরের আসরে অনবদ্য পারফর্ম করে বাংলাদেশের বিজয়ের সবচেয়ে বড় কারিগর ছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তিনি টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় হন। সেরা গোলকিপার হন রুপনা চাকমা।

গত আসরের স্মৃতি নিয়েই এবার গোয়ায় শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামছেন ঋতুপর্ণারা। এ আসর সামনে রেখে পিটার বাটলারের দল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এক সপ্তাহ কন্ডিশনিং ক্যাম্প করেছে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গোয়ায় পৌঁছে ফুটবল দল। সমুদ্র উপকূলীয় শহর মারগাওয়ের পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এবার দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামছেন ঋতুপর্ণারা।