রাওয়ালপিন্ডিতে
প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার শুরু
দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। এই টেস্ট জিতলে কিংবা ড্র করলেই ইতিহাস গড়বেন নাজমুল হোসেন শান্তরা।
আগে কখনো পাকিস্তানের মাঠে টেস্টই জিততে পারেনি টাইগাররা, সেখানে এখন সিরিজ জয়ের হাতছানি।
এটাই সম্ভবত
বাংলাদেশের হয়ে শেষ ম্যাচ কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের। নতুন বিসিবি প্রেসিডেন্ট ফারুক
আহমেদ প্রকাশ্যে বলেছেন, হাথুরুকে সরিয়ে দেয়া হবে। এতটা চাপ থাকা সত্ত্বেও হাথুরু পুরোপুরি
পেশাদার মনোভাব প্রদর্শন করলেন এবং তার ভাবনায় রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় ম্যাচে ভালো
করা।
প্রথম ম্যাচ
জিতে যাওয়ায় কিছুটা নির্ভার থাকার সুযোগ থাকছে বাংলাদেশের। পরের ম্যাচ হেরে গেলেও সিরিজ
হারার কোনো ভয় নেই। ড্র করলেই প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে
তারা। তবে মোটেও নির্ভার হতে চান না হাথুরুসিংহে। বরং একই মানসিকতা ধরে রাখতে চান তিনি।
এই লংকান নাগরিক, ‘আমরা সবসময় আক্রমণাত্মক পরিকল্পনায় যাব। কন্ডিশনভেদে অনেক সময় পরিকল্পনায়
পরিবর্তন আসে। প্রথম ম্যাচ থেকে আমাদের প্রস্তুতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। আমরা
নিজেদের শক্তির জায়গা, সীমাবদ্ধতা জানি। প্রতিপক্ষের শক্তি ও সীমাবদ্ধতার জায়গাও জানা
আমাদের। পিচ, কন্ডিশনসহ সবকিছু বিবেচনা করেই আমরা কৌশলের ব্যাপারে চিন্তা করে থাকি।’
আজকের সংবাদ
সম্মেলনে মাঠের খেলার বদলে প্রথম প্রশ্নই এলো, বিসিবির নতুন সভাপতির করা মন্তব্য নিয়ে।
হাথুরুসিংহের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সম্ভাব্য শেষ ম্যাচের আগে তার অনুভূতি কী? উত্তরে
হাথুরু বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি যে, নেতৃত্বে কিছু নতুন মুখ এসেছে। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি
বুঝতে পারছি। তবে আমি (বাংলাদেশে গিয়ে) তাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগের অপেক্ষায় আছি।
আমার কাজ হলো, দলকে সর্বোচ্চ ভালোভাবে প্রস্তুত করা। গত কয়েক মাসে আমরা যে কঠোর পরিশ্রম
করেছি, সামনের ম্যাচেও আমরা একইরকম মনোযোগ রেখেছি।’
নিজের ভবিষ্যৎ
ঘিরে একধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও এর কোনো প্রভাব দলের ওপর পড়েনি বলে জানান হাথুরুসিংহে।
‘আমাদের দলের
মনস্ত্বাত্তিক অবস্থা বেশ ভালো। অবশ্যই পাকিস্তানের মাটিতে পাকিস্তানকে হারানো সহজ
কাজ নয়। তারা অনেক ভালো দল। দ্বিতীয় ম্যাচে অনেক লড়াই আশা করছি। তবে আমাদের দলের আবহ
চনমনে আছে।’










