খেলোয়াড় নিয়ে জালিয়াতি
করায় আগামী বছর ঘরোয়া ফুটবলে অংশ নিতে পারবে না বাংলাদেশে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
(বিকেএসপি)। তাদের শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আজ রোববার এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাফুফে।
বাফুফের ভাষ্যমতে, এ বছর
‘বসুন্ধরা গ্রুপ তৃতীয় বিভাগ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল লিগ’-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চকবাজার কিংস।
সেই দলের কয়েকজন ফুটবলার ‘বসুন্ধরা গ্রুপ দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল লিগ ২০২২-২৩’-এ বিকেএসপির
হয়ে খেলেছেন। আবার বিকেএসপির কয়েকজন শিক্ষার্থী চকবাজার কিংসের হয়ে তৃতীয় বিভাগে খেলেছেন
অন্য নাম নিয়ে।
বিকেএসপির এই জালিয়াতির
বিষয়টি বাফুফের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে অপরাধের
প্রমাণ পায় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এরপর বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করে।
ডিসিপ্লিনারি কমিটির সুপারিশ
অনুযায়ী বিকেএসপির সিনিয়র ফুটবল কোচ শাহীনুল হক ও প্রশিক্ষক রবিউল ইসলামকে ফুটবলসংশ্লিষ্ট
কর্মকাণ্ড থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বাফুফে। পাশাপাশি দুজনকে ২৫ হাজার টাকা
করে আর্থিক জরিমানাও করা হয়েছে। নাম পরিবর্তনকারী তিন খেলোয়াড় পরবর্তী ছয় ম্যাচ নিষিদ্ধ
থাকবে। সবচেয়ে বড় শাস্তিটা পেয়েছে বিকেএসপি। ঐতিহ্যবহুল এই প্রতিষ্ঠানটিকে ঘরোয়া ফুটবলে
এক বছর নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ ৬ জানুয়ারির
মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
বিকেএসপি ফুটবল দল, কোচ
ও খেলোয়াড়দের শাস্তি প্রদানের বিষয়টি গত ৭ ডিসেম্বর বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ)
কর্নেল মো. মিজানুর রহমানকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বাফুফে।










