২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড সিনেমা ‘দঙ্গল’। এখন পর্যন্ত এটি বলিউডের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল সিনেমার অবস্থান ধরে রেখেছে। আমির খান অভিনীত এ চলচ্চিত্র ফোগাত পরিবারের বোনদের জীবন নিয়ে তৈরি, যারা কুস্তির মধ্য দিয়ে অলিম্পিক জয় করে বিশ্ব দরবারে ভারতকে তুলে ধরেছিলেন। নিতেশ তিওয়ারি পরিচালিত এ সিনেমা বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভেঙেছিল। অনুমান করা হয় দঙ্গল এখন পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করা সিনেমা। কারণ দঙ্গলই একমাত্র ভারতীয় সিনেমা, যেটি ২ হাজার কোটি রুপি আয় করেছে।
দঙ্গল নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল মাত্র ৭০ কোটি রুপি। কেবল ভারতেই আয় করেছে ৫১১ কোটি রুপি। বহির্বিশ্বে ২০৫ কোটি রুপিসহ সর্বমোট ৭১৬ কোটি রুপি ঝুলিতে তুলেছিল। ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহাবীর সিং ফোগাত, গীতা ফোগাত ও ববিতা কুমারীর জীবন নিয়ে নির্মিত এ সিনেমা। তাদের বাবা এ চলচ্চিত্র নির্মাণকাজের অনুমতি প্রদানের জন্য মাত্র ৮০ লাখ রুপি পেয়েছিলেন। যদি দঙ্গলের বক্স অফিস সংগ্রহের সঙ্গে এ পরিমাণের তুলনা করা হয়, তবে এটি ছিল চলচ্চিত্রের মোট আয়ের মাত্র শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।
তথ্যমতে, দঙ্গল তারকা আমির খান এ সিনেমায় মহাবীর সিং ফোগাতের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ৩৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছেন। এ পারিশ্রমিক ছাড়াও আমির খানের সঙ্গে সিনেমা নির্মাতাদের চলচ্চিত্রের লভ্যাংশ বণ্টন নিয়েও একটি চুক্তি ছিল। সেক্ষেত্রে যদি চীন থেকে সিনেমার আয়ের হিসেব ধরা হয়, তাহলে আমির খান শুধু একটি সিনেমা দঙ্গল থেকেই আয় করেছেন ৩৭৬ কোটি রুপি, যা একটি একক চলচ্চিত্রের জন্য কোনো অভিনেতার সর্বোচ্চ আয়। সিনেমাটির জন্য আমির খানের এ আয় বলিউডে রেকর্ড তৈরি করেছে। কারণ এটি ‘বাহুবলী: দ্য বিগিনিং’ কিংবা ‘পাঠান’-এর মতো সিনেমার পুরো বাজেটের চেয়েও অনেক বেশি।
আমির খানের পরবর্তী কাজ ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ ও ‘লাল সিং চাড্ডা’। দঙ্গলের পর লক্ষণীয় বিষয় ছিল, উভয় সিনেমায়ই তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আর দুটি সিনেমাই বক্স অফিসে সুপার ফ্লপ হয়েছিল।
সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া










