হলিউডে চলছে পুরস্কার মৌসুম। গেল গোল্ডেন গ্লোব, এমি ও সর্বশেষ ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ড। নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে আছে ওপেনহাইমার ও কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন। কিন্তু নোলান, স্করসেসির এ দুই সিনেমার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে পুওর থিংস। অর্গস ল্যান্থিমোস পরিচালিত এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন এমা স্টোন। তাই লিলি গ্ল্যাডস্টোন ও এমিলি ব্লান্টদের সঙ্গে তিনিও আছেন সেরা অভিনেত্রীর দৌড়ে। এদিকে রোববারের ক্রিটিকস চয়েজ অ্যাওয়ার্ডে পুরস্কৃত হয়েছেন এমা। পুওর থিংসের বেলা ব্যাকস্টার চরিত্রের জন্য সমালোচক ও দর্শকের পছন্দে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো পুরস্কার পেয়ে এমা জানালেন, সমালোচকদের কথায় মাথা ঘামান না তিনি।

পুরস্কারটি আশা করেননি এমা। ট্রফি হাতে তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য একটা আশ্চর্যের বিষয়। আমি চিন্তাও করিনি পুরস্কার পেতে পারি।’ এরপর তিনি জানান, বেলা চরিত্রটিতে অভিনয় তার জন্য একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা। এমা বলেন, ‘আমার অভিনয় জীবনে অন্যতম আনন্দের অভিজ্ঞতা বেলা চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পেয়েছি। এ চরিত্র করতে গিয়ে আমাকে অনেক কিছু ভুলে যেতে হয়েছে। সমাজের অনেক বিধিনিষেধ ও প্রচলিত নিয়ম পাত্তা না দিতে আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমি এখনো বিষয়টি শিখছি।’

অ্যাওয়ার্ডের নাম ক্রিটিকস চয়েস হলেও সেখানেই এমা জানালেন তিনি সমালোচকদের পাত্তা দেন না। এমা বলেন, ‘অনুষ্ঠানের নাম ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ড এবং আমি সমালোচকদের ধন্যবাদ দিই আমাকে পুরস্কৃত করার জন্য। তবে একটা ভিন্ন মত প্রকাশ করতে চাই। একটা সময় ধরে আমি শিখেছি সমালোচনা নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না। এর পর থেকে সিনেমার রিভিউ আমি খুব একটা গুরুত্ব দিই না।’

তবে তার মানে এই না যে সমালোচকদের গুরুত্ব দেন না এমা। তিনি মনে করেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য সমালোচনাকে মাথায় নিয়ে বসে থাকা বিপজ্জনক। তবে সমালোচনার প্রয়োজন আছে এবং সমালোচকদের ধন্যবাদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষ কী বলে তা নিয়ে খুব বেশি ভাবতে চাই না। এটা আমি দায়িত্ব নিয়েই বলছি। তবে এ পুরস্কারও আমার জন্য বিশেষ। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ছাড়া খুব বেশি কিছু আর বলার নেই।’

তবে এমা স্টোন এ বছর এগিয়েই থাকছেন পুরস্কার দৌড়ে। ২০২৪ সালের গোল্ডেন গ্লোবে তিনি জিতেছেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। এবার পেলেন ক্রিটিকস চয়েসে। সে জায়গা থেকে ৩৫ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী এগিয়ে থাকছেন অস্কারের দৌড়েও।

সূত্র: দ্য হলিউড রিপোর্টার