প্রায় আট বছর আগে জোড়া সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছিল রুনা খানের। ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিল তৌকীর আহমেদের ‘হালদা’ ও সাজেদুল আউয়ালের ‘ছিটকিনি’। তবে রুনা খান এর আগে আরো দুটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন।
রাজিবুল হোসেন পরিচালিত ‘বালুঘড়ি’ ও ‘ঊনাদিত্য’ নামের এ দুই সিনেমা বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হলেও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি। এবার প্রায় দেড় যুগ পর নির্মাতা এগুলো প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা করছেন।
ঊনাদিত্য সিনেমার প্রিমিয়ার হয় ২০০৮ সালে ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে, বালুঘড়ি প্রিমিয়ার হয় তার দুই বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্প্রতি নির্মাতা রাজিবুল হোসেন সোশ্যাল মিডিয়ায় উভয় সিনেমার মুক্তির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, যারা সিনেমাগুলো প্রদর্শন করতে চান, তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
রাজিবুল হোসেন বলেন, ‘বালুঘড়ি ও ঊনাদিত্য বাংলাদেশের ডিজিটাল মাধ্যমে নির্মিত প্রথম দিকের সিনেমা। সম্প্রতি এগুলো নতুন করে রি-মাস্টারিং করা হয়েছে। দর্শক এখন ঊনাদিত্য সিনেমাটি ফাইভকে রেজল্যুশনে ৫.১ ডিজিটাল ডলবি সাউন্ড সিস্টেমে উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া বালুঘড়িতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, ‘সেই সময় তৎকালীন সেন্সর বোর্ড ডিজিটাল চলচ্চিত্রকে ছাড়পত্র দিতে চায়নি। আমাকে বলা হয়েছিল ৩৫ মিলিমিটারে কনভার্ট করে জমা দিতে। যেহেতু আমি ডিজিটাল প্রযুক্তিতে সিনেমা বানিয়েছি, তাই দর্শককেও সেভাবেই দেখাতে চেয়েছিলাম। এ কারণে সিনেমাগুলো বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসব ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হলেও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি। এখন সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি অনেক এগিয়েছে, তাই নতুনভাবে রিস্টোর করে মুক্তির পরিকল্পনা করছি।’
নির্মাতা আরো জানান, প্রেক্ষাগৃহের পর তিনি ওটিটি প্লাটফর্মেও সিনেমাগুলো প্রকাশ করতে চান, যাতে আরো বেশি মানুষ এগুলো উপভোগ করতে পারে।
বালুঘড়িতে রুনা খানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন প্রয়াত কায়েস চৌধুরী, রশিদ হারুন, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, ফারহানা মিলি, মনোজ প্রামাণিকসহ অনেকে। সিনেমাটিতে আগে কোনো গান ছিল না, নতুন করে এতে একটি গান যুক্ত করা হয়েছে, যা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি। অন্যদিকে ঊনাদিত্যতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সমু চৌধুরী, জয়রাজ প্রমুখ।










