চাইনিজ-আমেরিকান হিসেবে তিনিই প্রথম অস্কারের মঞ্চে পারফর্ম করেছিলেন। ২০০১ সালে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে তার গাওয়া ‘আ লাভ বিফোর টাইম’ গানটি সেরা মৌলিক গানের ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছিল। তাইওয়ানের চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যাং লির ‘ক্রাওচিং টাইগার, হিডেন ড্রাগন’ সিনেমার জন্য তিনি গানটি গেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত এ ক্যাটাগরিতে অস্কার না পেলেও প্রথম চাইনিজ-আমেরিকান হিসেবে ৭৩তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে পারফর্ম করে অবিস্মরণীয় রেকর্ড তৈরি করে ফেলেন তিনি। তাছাড়া ১৯৯৮ সালের ডিজনি সিনেমা ‘মুলান’-এর থিম সং ‘রিফ্লেকশন’-এর মানদারিন ভার্সন গেয়েও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে তিনি আলোড়ন তুলেছিলেন। তিনি তিনটি সিনেমায়ও অভিনয় করেছিলেন। ২০০২ সালে স্ট্যানলি কুয়ানের ‘নো টোব্যাকো’, ২০০৪ সালে লি জিনের ‘মাস্টার অব এভরিথিং’ ও ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া হি জিয়ংয়ের ‘ফরএভার ইয়াং’ সিনেমায় তিনি তার অভিনয় প্রতিভার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাছাড়া ‘চাইনিজ আইডল’ ও ‘কাম সিং উথ মি’-র মতো চাইনিজ ট্যালেন্ট শোগুলোয় বিচারক হিসেবে নিয়মিত তাকে দেখা যেত। এত অর্জন যার ঝুলিতে, তিনি আর এ দুনিয়ার মায়ায় নেই। বুধবার আত্মহত্যা করেন হংকংয়ের গায়িকা ও গীতিকার কোকো লি। ৪৮ বছর বয়সী কোকো দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বলে জানা যায়। পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাতে নিজের সঙ্গে রীতিমতো লড়াই করে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হলো না। মানসিক অবসাদের কাছে হার মেনে সমাপ্তি ঘটল কোকোর বর্ণিল জীবনের।
মানসিক অবসাদে বিদায় নিলেন কোকো লি
চাইনিজ-আমেরিকান হিসেবে তিনিই প্রথম অস্কারের মঞ্চে পারফর্ম করেছিলেন। ২০০১ সালে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে তার গাওয়া ‘আ লাভ বিফোর টাইম’ গানটি সেরা মৌলিক গানের ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছিল।










